
শেষ আপডেট: 27 May 2019 18:30
নতুন অ্যালগোরিদম। ছবি সৌজন্যে: নাসা[/caption]
নাসা জানিয়েছে, আমাদের সৌরমণ্ডলের মতোই মহাকাশে ছড়িয়ে রয়েছে এমন আরও সৌরমণ্ডল। বুধ থেকে নেপচুন (প্লুটো আর এখন গ্রহ নয়) আমাদের আটটি গ্রহের মতো সেখানেও পর পর সাজানো রয়েছে অজস্র গ্রহ। তাদের অনেকেই পৃথিবীর মতো। এই সব ভিন গ্রহ খুঁজতে এবং ভিন গ্রহে প্রাণের সন্ধান পেতে ২০০৯ সালে নাসা মহাকাশে পাঠিয়েছিল কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ। সেই টেলিস্কোপ ২০১৩ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর মতো ‘বাসযোগ্য’ প্রায় আড়াই হাজার ভিন গ্রহ আবিষ্কার করেছে।
[caption id="attachment_108704" align="aligncenter" width="672"]
ভিন গ্রহ বা এক্সো-প্ল্যানেটস্[/caption]
সোনেবার্গ অবজারভেটরির মহাকাশবিজ্ঞানী মাইকেল হিপ্পাকের কথায়, “কেপলার যে সিগন্যালগুলো পাঠায় সেটা সবসময় জোরালো হয় না। পৃথিবীতে বসে সেই সিগন্যাল গুলিকে বিশ্লেষণ করে তার মধ্যে থেকে কোনটা ভিনগ্রহ থেকে আসছে, আর কোনটা আসছে অন্য কোনও মহাজাগতিক বস্তু থেকে, তা বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না। তবে নতুন অ্যালগোরিদমে এক্সো-প্ল্যানেটসদের সঠিক চিত্র ফুটে উঠছে চোখের সামনে। তাদের বৈশিষ্ট্যও খুঁজে বার করা সম্ভব হচ্ছে।”
[caption id="attachment_108705" align="aligncenter" width="661"]
নাসার কেপলার মিশন[/caption]
জার্মানির 'ইউনিভার্সিটি অব গটিনজেন'-র বিজ্ঞানী কাই রডেনবেক বলেছেন, এই ভিন গ্রহগুলির অধিকাংশ পৃথিবীর মতোই পাথুরে গ্রহ বা ‘রকি প্ল্যানেট’। আবহাওয়াতেও রয়েছে মিল। আবার কিছু আকারে ছোট, যাদের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কোনও ক্ষেত্রে ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ৫০০টি গ্রহ, বামন গ্রহ ও উপগ্রহের সন্ধান মিলেছে যাদের সঙ্গে পৃথিবীর নানা মিল পাওয়া যায়। এই ৫০০টির মধ্যে কেপলার-৪৫২বি-ই আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলোর মতো। এই গ্রহের পৃষ্ঠে জল থাকারও প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অনেক জীবন্ত আগ্নেয়গিরিরও সেখানে রয়েছে, অনুমান মহাকাশবিজ্ঞানীদের।