
শেষ আপডেট: 28 May 2023 12:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অত বড় সংসদ ভবন (New Parliament)। তার দুই কক্ষ—লোকসভা ও রাজ্যসভা। পুরোটাই বাহারি, সুদৃশ্য কার্পেটে মোড়া। কীভাবে এল এই কার্পেট? সূত্রের খবর, এই কার্পেট (carpet) বানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের এক বিখ্যাত কার্পেট নির্মাতা সংস্থা।
নতুন সংসদ ভবনের দুটো কক্ষ প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। অতখানি বড় কার্পেট এক লপ্তে বানানো সম্ভব নয়। তাই নির্মাতা সংস্থা ‘ওবিটি কার্পেটস’-এর তরফে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, প্রতি কক্ষের জন্য দেড়শোটা করে কার্পেট বানানো হবে। তারপর সেগুলোকে মাপ অনুযায়ী জুড়ে দেওয়া হবে।
শুনতে সহজ মনে হলেও, কাজটা আদপেই সহজ ছিল না, জানালেন সংস্থার চেয়ারম্যান রুদ্র চট্টোপাধ্যায়। শুধু জুড়লেই হয় না। গোটা জায়গা জুড়ে কার্পেটের নকশা, শিল্প, কারুকাজ সবকিছুতেই ভারসাম্য থাকতে হবে। যাতে পুরো সজ্জাটা উঠে আসে। আবার অতিরিক্ত পদসঞ্চারণে কোনও সমস্যাও না হয়। ৯০০ জন শিল্পী একনাগাড়ে কাজ করে তৈরি করেছেন এই বিশালাকার কার্পেট।
রুদ্র যোগ করেন, ‘কাজের সূচনা ২০২০ সালে। তখন অতিমারীর চোখরাঙানি সারা দেশে। তার মধ্যেই পুরো নকশা আমরা ছকে ফেলি। বোনার কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে। ২০২২ সালের মে মাসের মধ্যে সেটা শেষ হয়। নভেম্বর থেকে শুরু হয় সেটা নতুন ভবনে বসানো। প্রায় সাত মাস ধরে পুরো বোনার কাজ চলেছে।‘
আজ সংসদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে পুরো নির্মাণের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের একাংশকে সম্বর্ধনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে হাতে তুলে দেওয়া হয় উপহার ও স্মারক।
১৯২০ সালে উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের ধারে প্রথম গোড়াপত্তন হয়েছিল এই কার্পেট সংস্থার। তখন দায়িত্বে ছিলেন ব্রিটিশরা। পরে ব্যবসা বাড়ে, দেশ স্বাধীন হবার পর সম্পূর্ণ ভারতীয় মালিকানায় যায় সংস্থা। আজ তাদের কার্পেটের সুনাম দুনিয়াজোড়া। এবার সেই কার্পেটের ওপর দিয়েই হেঁটে সংসদে ঢুকবেন নতুন সংসদের অস্থায়ী বাসিন্দারা।
বহুতলের চাপে বসে যাচ্ছে নিউ ইয়র্ক, গোটা জীবজগতের ওজনকে ছাপিয়ে গিয়েছে কংক্রিট