
শেষ আপডেট: 2 October 2019 12:49
লুটিয়েন দিল্লি থেকে সব রাজনৈতিক দলের সদর দফতরই সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ ছিল বেশ কয়েক বছর আগে। সেইমতো পুরনো রাউস অ্যাভিনিউ বা এখনকার দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে সব রাজনৈতিক দলকেই জমি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই বিজেপি সদর দফতর সেখানে স্থানান্তরিত হয়েছে। নির্মাণ কাজ চলছে কংগ্রেস সদর দফতরেরও।
সিপিএমের তরফে বলা হচ্ছে, একেজি ভবন যেমন দলের সদর দফতর ছিল, তেমনই থাকবে। সুরজিৎ ভবনকে দলের শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
ঝাঁ চকচকে নবনির্মিত কমিউনিস্ট অফিসের আন্ডারগ্রাউন্ডে রয়েছে তিনতি ফ্লোর। যার দুটিতে পার্কিং প্লাজা। মাটির উপরে রয়েছে ছ'তলা। সর্বোচ্চতলায় রয়েছে সাড়ে চারশ আসনের অডিটোরিয়াম। একটি মিটিং রুম এবং একটি ১৫০ আসনের সেমিনার হল। ২৫ জন করে থাকতে পারেন এমন চারটি ডরমেটরি ও পাঁচটি সিঙ্গল বেডরুমও রয়েছে সুরজিৎ ভবনে।
বেশ কয়েক বছর ধরেই দলীয় সদস্যদের থেকে এই ভবন নির্মাণের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিল সিপিএম। এ দিন তারই গৃহপ্রবেশ হল। তারপর নতুন ভবনের সেমিনার রুমেই শুরু হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক।
সিপিএমের কোঝিকোড় পার্টি কংগ্রেসেই স্বীকার করে নেওয়া হয়েছিল দলীয় সদস্যদের মতাদর্শগত মান কমছে। বিশেষ করে বাংলা, ত্রিপুরা, কেরলের মতো যে রাজ্যগুলিতে দল সরকার পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়েছে সেখানে সেখানে এই প্রবণতা ভয়াবহ জায়গায় গিয়েছে। ওই পার্টি কংগ্রেসেই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলা কমিটি স্তর পর্যন্ত স্থায়ী পার্টি স্কুল গড়ে তোলা হবে। বাংলা সিপিএম-ও ভিআইপি রোডের ধারে বাগুইআটি জোড়ামন্দিরের কাছে নির্মল-মীরা ভবনকে স্থায়ী পার্টি স্কুল হিসেবে গড়ে তুলেছে। সেখানে জেলা থেকে দল এবং গণসংগঠনের নেতারা এসে মতাদর্শগত পাঠ নেন। একই ভাবে রাজ্যের নেতারা গিয়েও পাঠ নেবেন হরকিষেণ সিং সুরজিৎ ভবনে।