
শেষ আপডেট: 23 March 2024 19:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আরাবুলহীন ভাঙড়ে এবার লড়াই কি আরও কঠিন হল? লোকসভা ভোটের বৈতরণী কি পার করতে পারবেন শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নগুলিই এখন ঘোরাফেরা করছে ভাঙড়ের শাসক ও বিরোধী দলের অন্দরে।
বরাবরই আরাবুলের ভোটের মেশিনারি যেন কথা বলে! এমনটাই বিশ্বাস ভাঙড়ের আমআদমির। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের সময় ভাঙড়ে রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে জেলে বন্দি আরাবুল। অনুগামীরা সোশ্যাল মিডিয়াতে লাগাতার তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন। এমনকী দলের এক শ্রেণির নেতার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হচ্ছেন। তাদের অনেকে বারুইপুর কোর্ট চত্বরে গড়াগড়ি খেয়েও মুক্তির দাবি জানিয়েছেন আরাবুলের। কারণ ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক লোকসভা ভোটে তৃণমূলের লিড নিশ্চিত করবে পারবে কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত নন তাঁদের অনেকেই।
তবে আরাবুলের না থাকায় কিছুই যাবে আসবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তাঁর কথায়, "ভাঙড়ে কখনই ব্যক্তি কোনও ফ্যাক্টর নয়। শওকত নয়, আরাবুল নয়, কাইজারও নয়। কেউ নয়। আমি এটাও মনে করি, আজ যদি শওকত মোল্লাও না থাকে, তাহলেও কোনও ফ্যাক্টর হবে না।"
২০২১ সালে ভাঙড় বিধানসভায় জয়ী হয় আইএসএফ। প্রায় ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন আইএসএফ প্রার্থী নওসাদ সিদ্দিকী। শওকতের চ্যালেঞ্জ, ৫০ হাজার ভোটে এবার ভাঙড়ে লিড পাবে তৃণমূল। তিনি বলেন, "ভাঙড়ে তৃণমূলের টিম ভাঙড় কাজ করে। ২০২১ এই বিধানসভায় আমরা প্রায় ২৫ হাজার ভোটে হেরে গেছিলাম। কিন্তু ২০২৪ এ আমরা এই ভাঙড় আসনে অন্তত ৫০ হাজার ভোটে লিড দেব। এখানে কোনও ব্যক্তি কোনও ফ্যাক্টর নয়।"
শওকত মোল্লার নেতৃত্বে আরাবুলকে নিয়ে গত পঞ্চায়েত ভোটে কোনও রকমে পঞ্চায়েত সমিতি দখল রেখেছিল তৃণমূল। বর্তমানে আরাবুলহীন ভাঙড়ে শওকত মোল্লারা কি আদৌও বেগ দিতে পারবেন নওসাদদের, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে ভাঙড়ের মানুষের মুখে মুখে।