
শেষ আপডেট: 17 March 2022 07:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী শিক্ষাবর্ষে (New Education Policy) গ্র্যাজুয়েশনের প্রথম তিনটি সেমেস্টারে পড়ুয়াদের ন্যাচেরাল সায়েন্স, হিউম্যানিটিজ এবং সোশ্যাল সায়েন্সের অন্তর্ভুক্ত কোনও বিষয় বেছে নিতে হবে (Colleges)। তারপর তারা অনার্স বা স্পেশ্যাল পেপার নিয়ে পড়তে পারবে (Universities)।
আরও এক ক্রিকেটার সংসদে! হরভজনকে রাজ্যসভায় চায় আপ
ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশনের (UGC) সর্বশেষ বৈঠকে এই মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে ইউজিসি তাদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেবে। শিক্ষামহলের বক্তব্য, নয়া নির্দেশিকা কার্যকর হলে উচ্চশিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

ইউজিসির পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে পিএইচডির ৬০ শতাংশ আসন পূরণ করতে হবে ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্টের সফল প্রার্থীদের দিয়ে। বাকি ৪০ শতাংশ আসনের জন্য প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেরা এন্ট্রান্স টেস্টের ব্যবস্থা করবে। অর্থাৎ ৪০ শতাংশ আসন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে থাকবে।
শিক্ষামহলের বক্তব্য, দুটি সিদ্ধান্তই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের শিক্ষায় বড় পরিবর্তন আনবে। নতুন শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছিল, আন্ডার গ্র্যাজুয়েট স্তরের পঠনপাঠনে বড় পরিবর্তন দরকার। বিশেষ করে অনার্স পড়ুয়াদের মধ্যে দেখা যায়, পাস কোর্সের বিষয়গুলির প্রতি তারা যথেষ্ট যত্নবান নয়। ফলে শিক্ষায় একটা বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হচ্ছে। কলেজ পর্ব শেষ করার পর চাকরিবাকরির ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
নয়া ব্যবস্থায় বলা হয়েছে, আর্টস, কমার্স, সায়েন্সের বিষয়গুলি থেকে ছাত্রছাত্রীরা তাদের পছন্দমত বিষয় বেছে নিতে পারবে। এর ফলে একাধিক বিষয়ে পড়ুয়ার ধারণা তৈরি হবে।