দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পরবর্তী পর্যায়ে ধড়পাকড় ও নিরাপত্তা বেষ্টনী জোরদার করা সত্ত্বেও হিংসার আঁচ এখনও লেগে রয়েছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশের গায়ে। জঙ্গি দমনে গোটা দেশজুড়েই তোলপাড় করে চলছে সেনা অভিযান। প্রায় সাড়ে ৬ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। শ্রীলঙ্কার পর সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আইএস-এর নিশানায় রয়েছে ভারতের কয়েকটি রাজ্যও, যার মধ্যে বাংলা, ত্রিপুরা-উত্তর-পূর্ব ভারতের নাম করেছেন গোয়েন্দারা। এমন অশান্ত পরিস্থিতি সুরক্ষার স্বার্থেই ভারতীয়দের শ্রীলঙ্কায় যেতে পুরোপুরি মানা করে দিল দিল্লি।
শনিবার কেন্দ্রের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, একান্তই জরুরি দরকার বা পেশাগত প্রযোজন ছাড়া শ্রীলঙ্কায় পা রাখা মোটেই নিরাপদ নয় ভারতীয়দের ক্ষেত্রে। কোনও কারণে যদি শ্রীলঙ্কায় যেতেই হয় তাহলে কলম্বোয় ভারতীয় হাই কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেই যাওয়া উচিত। শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় হাই কমিশনের নম্বর মিলবে কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেই। সেখানে যোগোযোগ করলেই তারা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।
রবিবার রাজধানী কলম্বো-সহ আরও দু’টি শহরে গির্জা ও হোটেলে মোট আটটি বিস্ফোরণ ঘটে। এই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৫৯। তার মধ্যে অন্তত ১০ জন ভারতীয়ও রয়েছেন। মঙ্গলবারই এই হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস জঙ্গি গোষ্ঠী। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে সম্প্রতি স্বীকার করেছেন, প্রথম বিস্ফোরণের দু’ঘণ্টা আগেই ভারতীয় গোয়েন্দারা শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা দফতরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সম্ভাব্য বিস্ফোরণের আগাম বার্তা দেন। জঙ্গি নিশানায় যে শ্রীলঙ্কার গির্জাগুলিও আছে তাও জানানো হয় ভারতীয় গোয়েন্দাদের তরফে। তবে এই সতর্কবার্তা গ্রাহ্য না করাতেই এতবড় নাশকতা ঠেকাতে পারেনি দ্বীপ রাষ্ট্র।
শ্রীলঙ্কার প্রশাসন সূত্রে খবর, আর কোনও আত্মঘাতী বোমারু আত্মগোপন করে আছে কি না খতিয়ে দেখতে সেনাবাহিনীকেও কাজে লাগানো হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি অভিযান চাল?