পরিসংখ্যান বলছে, কামি রিটার আগে এই রেকর্ডের যৌথ মালিক ছিলেন আপা শেরপা। ২১ বার এভারেস্টে উঠেছিলেন তিনি। কামি রিটাও ছিলেন তাঁর সঙ্গে, ওই একই বছর। তাঁরও ২১তম এভারেস্ট আরোহণ ছিল ওটা। কিন্তু ২১ বারের পর আপা শেরপা অবসর নেন। তার পরে গত বছর কামি রিটা আরও এক বার মাউন্ট এভারেস্ট ছুঁয়ে ২২তম বারের রেকর্ড করেন। এই বছর ২৩ ছুঁয়ে সেটাই ভাঙলেন তিনি নিজেই।
এ সপ্তাহের গোড়ার দিকেই এভারেস্ট বেসক্যাম্প থেকে একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "নতুন ইতিহাস গড়তে আমি আরও এক বার সাগরমাতার শৃঙ্গ ছুঁতে চলেছি, যাতে সকল শেরপা এবং আমার দেশ গর্ব করতে পারে এই কৃতিত্ব নিয়ে।"
কামি রিটা আজ থেকে প্রায় তিন দশক আগে কাজ শুরু করেছিলেন আমেরিকার একটি পর্বতারোহণ টিমের গাইড হিসেবে। দেশি-বিদেশি আরোহীরা সাধারণত অর্থের বিনিময়ে কামি রিটা বা তাঁর মতো অন্যান্য শেরপাদের সহায়তা নিয়েই মাউন্ট এভারেস্ট বা অন্যান্য শৃঙ্গে অভিযান করেন।
এই বছরও কামি রিটা ২৯ সদস্যের একটি বিদেশি অভিযাত্রী দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই দলে আছে জাপানি ও আমেরিকান পর্বতারোহী। তবে কামি রিটা বলেছেন, "এবার রেকর্ড করে ফেললেও আমি এভারেস্টে আরোহণ চালিয়ে যেতে চাই। চাই, ২৫ বার উঠে ইতিহাস গড়তে। শুধু রেকর্ড নয়।"



সূত্রের খবর, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটা পঞ্চাশে বাকি পর্বতারোহীদের সঙ্গে নিয়ে এভারেস্ট আরোহণ করেন কামি রিটা। নেপালের দিক থেকে এভারেস্ট আরোহণ করেন তিনি। নেপাল সরকার সূত্রে খবর, কামি রিটা-সহ সকল আরোহীই সুস্থ রয়েছেন।
বুধবার সকালে এভারেস্ট ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পর্বতারোহণের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখলেন
১৯৭০ সালে নেপালের সলোখুম্বু জেলার থামে গ্রামে জন্ম নেন কামি রিটা শেরপা। ২৩ বার এভারেস্ট ছাডা়ও তিনি এক বার করে মাউন্ট কেটু, লোৎসে, মানাসলু এবং আট বার চো ইয়ু পর্বতশৃঙ্গ আরোহণ করেছেন। সব মিলিয়ে গত ২৫ বছরে আট হাজার মিটার পর্বতে তিনি মোট ৩৪ বার আরোহ