Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

তুতানখামুনের সৎমা নেফারতিতির সমাধি খুঁজে পাওয়া যেতে পারে এক সপ্তাহের মধ্যেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তুতানখামুন, অর্থাৎ ফারাও তুত মানেই রহস্য, তবে আরও বেশি রহস্য রয়েছে তাঁর সৎমা নেফারতিতিকে নিয়ে। সুন্দরী নেফারতিতি ছিলেন মিশরের শাসক এবং রাজা তুতানখামুনের শাশুড়িও। তাঁর কথা নতুন করে জানা যায় ১৯১২ সালে, তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর

তুতানখামুনের সৎমা নেফারতিতির সমাধি খুঁজে পাওয়া যেতে পারে এক সপ্তাহের মধ্যেই

শেষ আপডেট: 11 November 2019 09:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তুতানখামুন, অর্থাৎ ফারাও তুত মানেই রহস্য, তবে আরও বেশি রহস্য রয়েছে তাঁর সৎমা নেফারতিতিকে নিয়ে। সুন্দরী নেফারতিতি ছিলেন মিশরের শাসক এবং রাজা তুতানখামুনের শাশুড়িও। তাঁর কথা নতুন করে জানা যায় ১৯১২ সালে, তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর সমাধিস্থল খুঁজে পাওয়া যায়নি। মিশরের কিংস ভ্যালিতে ১৯২০ সালে যে উৎখনন শুরু হয়েছিল, তা হয়েই চলেছে। এখন সেই উৎখননের দায়িত্বে মিশরবিদ জাহি হাওয়াস। লন্ডনে সাটচি গ্যালারিতে এখন মিশর নিয়েই একটি প্রদর্শনী চলছে, তার নাম হল কিং তুত: ট্রেজার অফ দি গোল্ডেন ফারাও প্রদর্শনী চলাকালীন ৭২ বছর বয়সী জাহি হাওয়াস দাবি করেছেন, নেফারতিতির সমাধিতে তাঁরা পৌঁছে যাবেন হয়তো এই সপ্তাহেই। তিনি বলেন, “আমাদের এই উৎখননের লক্ষ্যই হল নেফারতিতির সমাধি আবিষ্কার করা। ৩০০০ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, ওই সময়টিকে আমরা ধরতে পারব।” পরে তিনি বলেন, “বেরিইবিটার সমাধির পিছনে কিছু একটা রয়েছে, আমরা এক সপ্তাহ বা মোটামুটি ওই সময়ের মধ্যে কিছু একটা খুঁজে পাব বলে আশা করছি।” মিশরের কিংস ভ্যালিতে এখনও পর্যন্ত ৬২টি সমাধি আবিষ্কৃত হয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব ১৩৩০ অব্দে মৃত্যু হয়েছে নেফারতিতির। মিশরবিদদের ধারনা, খিস্টপূর্ব ১৩৫৩ থেকে ১৩৩৬ অথবা খিস্টপূর্ব ১৩৫১ থেকে ১৩৩৪ অব্দে তিনি মিশরের শাসক ছিলেন। ফারাও আখেনাতেনের চার জন স্ত্রী ছিলেন, নেফারতিতি ছিলেন অন্যতমা। হাওয়াস বলেন, “আমার ধারনা, অষ্টাদশ বংশের সব রানির সমাধি এখানেই রয়েছে। হাওয়ার্ড কার্টারের পরে আমার উৎখননের ব্যাপ্তিই সবচেয়ে বেশি, আমি আশা করছি রাজসমাধির খোঁজ আমি পাব।” তুতানখামুনের সমাধি আবিষ্কার করেছিলেন কার্টার। [caption id="attachment_158046" align="aligncenter" width="600"] নেফারতিতি সম্বন্ধে জানা যায় ১৯১২ সালে, তাঁর মূর্তিটি আবিষ্কারের পরে।[/caption] প্রাচীন মিশর শাসন করেছে বহু রাজবংশ। অষ্টাদশ রাজবংশের রাজা ছিলেন আখেনাতেন; তুতানখামুন তাঁরই ছেলে। মিশরের ওই রাজবংশে নিজেদের আত্মীয়র মধ্যেই বিয়ের চল ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তুতানখামুন বিয়ে করেছিলেন তাঁর সৎবোন তথা নেফারতিতির মেয়েকে। নেফারতিতির কথা অবশ্য ইতিহাস ভুলেই গিয়েছিল। কিন্তু ১৯১২ সালে তাঁর একটি আবক্ষ মূর্তি পান জার্মান পুরাতত্ত্ববিদ লুদউইগ বরখার্দৎ। মনে করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ১৩৪৫ অব্দে মিশরের আমার্নায় এই মূর্তিটি তৈরি করেন তুথমোজ নামে এক ভাস্কর। মূর্তিটি এখন জার্মানির বার্লিনের একটি জাদুঘরে রয়েছে। তবে এই মূর্তিটি নিয়ে জার্মানি ও মিশরের মধ্যে টানাপোড়েন রয়েছে। মিশর এই মূর্তিটি ফিরে পেতে চায়। [caption id="attachment_158050" align="aligncenter" width="600"] দেওয়ালে খোদাই করা নেফারতিতি।[/caption] তুতানখামুনের সার্কোফেগাস (শবাধার) ঠিক যে অংশটি থেকে পাওয়া গিয়েছিল, সেই অংশটি অন্য ফারাওদের সমাধির ঘরের তুলনায় একেবারেই বেমানান। তাই অনেক মিশরবিদেরই ধারনা, ওই সমাধির একটি দেওয়ালের পিছনে রয়েছে নেফারতিতির সমাধি। যন্ত্রের সাহায্যে একটি দেওয়ালের পিছনে ফাঁকা জায়গার সন্ধানও পাওয়া গেছে অনেক আগেই। কিন্তু কোনও ভাবে সেই দেওয়ালের ক্ষতি চান না পুরাতত্ত্ববিদরা। তাই সেই অংশের পিছনে কী আছে তা জানতে সমস্যা হচ্ছিল পুরাতত্ত্ববিদদের। এখন অন্য ভাবে উৎখনন করে নেফারতিতির সমাধিতে পৌঁছাতে চাইছেন পুরাতত্ত্ববিদরা।

```