দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিতে বন্ধ বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে এইমসের চিকিৎসকের পচাগলা দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত চিকিৎসকের নাম মোহিত সিংলা। তিনি এইমসের পেডিয়াট্রিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিল্লির গৌতম নগর এলাকায় চিকিৎসকের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে তাঁর দেহ।
হাউজ খাস থানার পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে গৌতম নগর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে একটি ফোন এসেছিল। এলাকারই কেউ জানান যে একটি বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তারপর ওই দোতলা বাড়ির বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হয় চিকিৎসকের পচাগলা ঝুলন্ত দেহ। আপাতত ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ওই দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত চিকিৎসকের বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। জানা গিয়েছে, গত ১১ অগস্ট শেষবার হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, আদতে হরিয়ানার পাঁচকুলার বাসিন্দা ছিলেন এই চিকিৎসক। তবে ২০০৬ সাল থেকে গৌতম নগরের ওই বাড়িতেই এক থাকতেন তিনি। চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
জুলাই মাস থেকে এই নিয়ে তিনজন ডাক্তারের মৃত্যু হয়েছে এইমসে। গত ১০ জুলাই হাসপাতালের দশ তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বছর ২৫-এর এক জুনিয়র ডাক্তার। সূত্রের খবর, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই তরুণ চিকিৎসক। এর ঠিক এক মাসের মাথায় গত ১০ অগস্ট দ্বিতীয় বর্ষের এক মেডিক্যাল পড়ুয়া হস্টেলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
এ ছাড়াও জুন এবং জুলাই মাসে এইমসে আত্মহত্যা করেছেন আরও তিনজন। গত ৫ জুন ২২ বছরের এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল সিঁড়ির রেলিং থেকে। সূত্রের খবর, ইনিও মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এরপর ৬ জুলাই এইমসে চিকিৎসাধীন এক সাংবাদিক হাসপাতালের পাঁচতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। বছর ৩৭-এর ওই সাংবাদিক করোনা আক্রান্ত হয়ে এইমসে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর গত ১৭ জুলাই হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের বাথরুম থেকে এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। ৩২ বছরের ওই যুবক মধ্যপ্রদেশের সাতনার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। গত বছর অপারেশন হয়েছিল তাঁর। এ বছর এসেছিলেন চেক-আপের জন্য। তখনই ঘটে অঘটন।