ছত্তীসগড়ে মাওবাদী হামলা জারি, এবার ঠিকাদারকে গুলি করে খুন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছত্তীসগড়ে মাওবাদী হামলা চলছেই।দ্বিতীয় দফা ভোট হতে আর ৪ দিন বাকি, তার আগে ফের মাওবাদীদের গুলি প্রাণ কাড়ল এক ঠিকাদার কর্মীর। বৃহস্পতিবার দান্তেওয়াড়ার দোরনাপাল গ্রামে ঠিকাদারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গুলি করল মাওবাদীরা।দোরনাপালে
শেষ আপডেট: 15 November 2018 20:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছত্তীসগড়ে মাওবাদী হামলা চলছেই।দ্বিতীয় দফা ভোট হতে আর ৪ দিন বাকি, তার আগে ফের মাওবাদীদের গুলি প্রাণ কাড়ল এক ঠিকাদার কর্মীর। বৃহস্পতিবার দান্তেওয়াড়ার দোরনাপাল গ্রামে ঠিকাদারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গুলি করল মাওবাদীরা।দোরনাপালে গ্রামের একটি রাস্তায় সারাইয়ের কাজ চলছিল। সেই কাজের দায়িত্বেই ছিলেন নিহত ঠিকাদার।
জানা যাচ্ছে, রাস্তা সারাইয়ের বিরোধিতা করেই ঠিকাদারকে খুন করে মাওবাদীরা। ছত্তীসগড়ের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা সংস্কারের কাজ আটকাতে এতটাই শক্তি প্রয়োগ করছে তারা।সেই ধারা বজায় রেখে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগেও আতঙ্ক ছড়াতে কোনওরকম খামতি রাখছে না মাওবাদীরা। বিভিন্ন গ্রামে আকস্মিক হামলা চালিয়ে ভোট বয়কটের ঘোষণাও করছে।
সাত শবরের মৃত্যু: লালগড়ে মদের ভাঁটি ভাঙতে অভিযানে নামল প্রশাসন
বৃহস্পতিবার ঠিকাদারকে খুন করার পর তাঁর গাড়ি জ্বালিয়ে দেয় মাওবাদীরা। বুধবারই বিজাপুরে জওয়ানদের গাড়ি লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। বিস্ফোরণের পরে বিএসএফ জওয়ানদের লক্ষ করে গুলিও চলে। জওয়ানরাও পালটা গুলি চালায়। গতকালের হামলায় এক বাইক আরোহী সহ আহত হয়েছিলেন ৬ জওয়ান। আবার সোমবার সেনাদের তল্লাশি অভিযানে নিহত হয় ২ মাওবাদী।
২০ নভেম্বর ছত্তীসগড়ে দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই মাও আতঙ্ক জারি স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে।ইতিমধ্যেই দান্তেওয়াড়ার ইন্দ্রাবতী নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামে ঢুকে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, ভোট দিলে হাতের আঙুল কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে তারা।
১২ নভেম্বর প্রথম দফার ভোটে মাওবাদীরা কয়েকটি অঞ্চলে হামলা করলেও, বেশিরভাগ এলাকায় মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়েছেন। দিনের শুরুতে ভোটদানের হার কম হলেও পরে বুথের সামনে ভিড় বাড়তে থাকে। মূলত নিরাপত্তারক্ষীদের সতর্ক প্রহরার জন্যই মাওবাদীদের ভোট বয়কটের ডাক ব্যর্থ হয়। মনে করা হচ্ছে, সেই রাগেই দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বার বার হামলা করছে মাওবাদীরা। ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পোস্টার।
এই পরিস্থিতিতেও মানুষ ভোট দেবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। ১২ নভেম্বর দিনের শেষে ভোট পড়ে ৭০ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় যা আরও বাড়বে বলে দাবি করছে প্রশাসন।
The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন