
শেষ আপডেট: 23 February 2024 13:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পঞ্চায়েত ভোটের সময় ভাঙড়ে তৃণমূল কর্মী খুনে নাম জড়িয়েছিল আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকীর। ২৮৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছিল তাঁর নামে। শুধু তাই নয় ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগ এবং অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়। আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নওসাদ। সূত্রের খবর, তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে বিচারপতি বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চে।
ভাঙড়ে পঞ্চায়েতের মনোনয়ন পর্বে তিন ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের মধ্যে একজন আইএসএফ সমর্থক ও বাকি দু’জন তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি করা হয়েছিল। তৃণমূল সমর্থক রাজু নস্করের মৃত্যুর ঘটনায় আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকীর নামে অভিযোগ দায়ের হয় কাশীপুর থানায়। ২৮৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছিল। ওই তৃণমূল সমর্থকের মৃত্যুর ঘটনায় নওসাদ-সহ ৬৮ জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ সহ আরও অন্যান্য ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয় কাশীপুর থানায়। ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগ এবং অস্ত্র আইনে মামলাও রুজু করা হয়। পুলিশের খাতায় এফআইআর কপিতে প্রথম নামটিই ছিল নওসাদ সিদ্দিকীর।
এদিকে ভাঙড়ের অশান্তিতে আইএসএফ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাতেও কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই ঘটনায় ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম, তাঁর ছেলে হাকিমুল ইসলাম-সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। মূল অভিযোগ ছিল, আরাবুল ও তাঁর ছেলের নেতৃত্বেই সেদিন জমায়েত করেছিল দুষ্কৃতীরা। যদিও সেই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছিলেন আরাবুল।
ভাঙড়ে খুনের ঘটনায় নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও অস্বীকার করেছিলেন নওসাদ। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই আবেদনই মঞ্জুর করেছে আদালত।