দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাদার টেরিজার (mother teresa) মিশনারিজ অব চ্যারিটিকে (missionaries of charity) সাহায্যের হাত (assistance) বাড়িয়ে দিলেন নবীন পট্টনায়ক (naveen patnaik)। ভারতের আইন মোতাবেক যোগ্যতার মাপকাঠি পূরণ করতে না পারার অভিযোগে তাদের বিদেশি অনুদান (foreigndonation) পাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ওড়িষায় (odisha) চ্যারিটি পরিচালিত ১৩টি সংস্থাকে ত্রাণ তহবিল থেকে ৭৮.৭৬ লাখ টাকা অর্থসাহায্য দেওয়ার কথা জানালেন নবীন। কলকাতায় মাদারের চ্যারিটির মূল অফিস। ওড়িষায় তাদের একাধিক কুষ্ঠরোগীদের হোম ও অনাথ আশ্রম আছে।
রাজ্যের সব জেলা কালেক্টরদের ওড়িষার মুখ্যমন্ত্রী সুনিশ্চিত করতে বলেছেন যে, ৮ জেলায় ওই ১৩টি সংস্থায় যাতে সময়মতো অর্থ পৌঁছে যায়। প্রায় ৯০০র বেশি মানুষের ত্রাণ, সেবার বন্দোবস্ত করা হয় মাদারের সংস্থাগুলিতে।
নবীনের কার্যালয় থেকে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক জেলা কালেক্টরদের রাজ্যে মিশনারিজ অব চ্যারিটি পরিচালিত সংগঠনগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলতে হবে। এই সংগঠনগুলির একজনও যাতে বিশেষ করে খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় বিপাকে পড়েন, সেটা তাঁদের সুনিশ্চিত করতে হবে। যখনই দরকার হবে, এজন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ কাজে লাগানো যাবে।
সম্প্রতি মিশনারিজ অব চ্যারিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত হওয়ার খবর ঘিরে আলোড়ন ছড়ায়। একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেন্দ্রের মোদী সরকারকে দোষারোপ করে অভিযোগ করে, যেসব সংগঠন বা লোকজন তাদের সমর্থনে কাজ করে না, তাদের নিশানা করা হচ্ছে।
গত ২৫ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মিশনারিজ অব চ্যারিটির বিদেশ থেকে তহবিল পাওয়ার প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়ার আবেদন খারিজ করে। বিদেশি তহবিল কাজে লাগাতে হলে বিদেশি সহায়তা নিয়ন্ত্রণ আইন বা ফেরা আইনে অ-লাভজনক প্রয়োজন সংক্রান্ত লাইসেন্স বা ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। তবে চ্যারিটি জানিয়েছিল, তাদের লাইসেন্স রিনিউয়ের আবেদন বাতিল হয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত চ্যারিটিই তাদের সব কেন্দ্রকে বিদেশি তহবিল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে নিষেধ করে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও চ্যারিটির ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করার খবর অস্বীকার করে জানায়, স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া খবর দিয়েছে, চ্যারিটি নিজেই অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়েছিল।