
শেষ আপডেট: 17 January 2024 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২২ জানুয়ারি অযোধ্যা নতুন তৈরি রাম মন্দিরে রামের মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। সেদিনই কলকাতায় সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিল পিছনোর দাবি জানিয়েছেন। তাঁর যুক্তি ওই মিছিলকে কেন্দ্র করে হিংসা ছড়াতে পারে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। এদিন একই দাবি জানালেন আইএসএফ নেতা নওসাদ সিদ্দিকিও।
এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে নওসাদ এদিন বলেন, শুভেন্দুবাবুরা এ নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন। ওঁরা সুযোগ পেয়েছেন, এখন করবেনই। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২২ তারিখ মিছিলের ডাক দিয়ে উস্কানি দিতে চাইছেন। আমি রাজ্যের সংখ্যালঘুদের এবং ধর্মনিরপেক্ষ সুশীল সমাজের উদ্দেশে বলতে চাই, এই প্ররোচনায় পা দেবেন না।
নওসাদের কথায়, শুভেন্দুবাবু যে রকম কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর কথা বলছেন, তা আমি মনে করি না। বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামনোর প্রয়োজন নেই। বাংলার মানুষ শান্তিপ্রিয়। কিন্তু এও বিশ্বাস করি যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাতা ফাঁদে ওই দিন কারও পা দেওয়া ঠিক হবে না।
বাংলায় শাসক দল গত প্রায় দু’বছর ধরে বিভিন্ন ঘটনায় শুভেন্দুর সঙ্গে নওশাদকে জুড়ে জুড়ে দেখাতে চেয়েছে। তাঁদের অভিযোগ আইএসএফকে মদত করছে বিজেপি। হায়দরাবাদে যেমন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বিজেপির হয়ে ভোট কাটুয়ার কাজ করে, আইএসএফের কাজও বাংলায় তাই।
নওসাদ এদিন বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২২ তারিখের সংহতি মিছিল বাতিল করে ২৩ তারিখ হাঁটুন। আমিও তাতে হাঁটব। ২৩ তারিখ আইএসএফের দেশপ্রেম দিবসের ডাক দিয়েছে। ওই দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাঁটতে রাজি। কিন্তু ২২ তারিখ নয়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার ঘোষণা করেছিলেন যে ২২ জানুয়ারি তিনি প্রথমে কালীঘাটে পুজো দেবেন। তার পর সেখান থেকে মিছিল নিয়ে যাবেন পার্ক সার্কাস ময়দানে। ওই মিছিল মসজিদ, গুরুদ্বারা, গির্জা সব ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাবে। শুধু কলকাতায় নয়, সব জেলায় ও ব্লকে ব্লকে সেদিন সংহতি মিছিল করার জন্য শাসক দলের নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।