জেএনইউয়ে একহাতে তালি বাজেনি, প্রাথমিক তদন্তের পরে দিল্লি পুলিশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের শেষে দিল্লি পুলিশের তরফে স্পষ্ট বলে দেওয়া হল, রবিবারের ঘটনায় এক হাতে তালি বাজেনি। ডিসিপি জয় তিরকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, দু’পক্ষের একাধিক ছাত্রছাত্রীকে নোটিস পাঠা
শেষ আপডেট: 10 January 2020 11:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের শেষে দিল্লি পুলিশের তরফে স্পষ্ট বলে দেওয়া হল, রবিবারের ঘটনায় এক হাতে তালি বাজেনি। ডিসিপি জয় তিরকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, দু’পক্ষের একাধিক ছাত্রছাত্রীকে নোটিস পাঠানো হবে।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে, দু’পক্ষই হামলার সঙ্গে জড়িত। ছাত্র সংসদের সভাপতি তথা এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ পেরিয়ার হোস্টেলে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। একই সঙ্গে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে এবিভিপির একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। রবিবার বিকেল থেকে ‘ইউনিটি এগেন্সট লেফট’ নামের ওই গ্রুপে হামলা করা নিয়ে কথোপকথনের রেকর্ড পুলিশের হাতে এসেছে।
এদিন দীর্ঘ সাংবাদিক বৈঠক ক্রে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে কী উঠে এসেছে তা জানায় দিল্লি পুলিশ। তারা জানিয়েছে, ৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর করে ছাত্ররা। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক দফা এফআইআর করে দিল্লি পুলিশে। এরপর আবার ৪ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেদিন আবার এফআইআর হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শুধুমাত্র বহিরাগতরাই নয়, ভিতরের ছাত্রছাত্রীরা না থাকলে ওই ভাবে হামলা চালানো যায় না।
দিল্লি পুলিশের শীর্ষ সারির আধিকারিক বলেন, "পরপর চারদিন জেএনইউয়ে যাওয়ার পর আমিই রাস্তা গুলিয়ে ফেলব। কারণ ক্যাম্পাসের ভিতরের রাস্তা গোলকধাঁধার মতো। দুম করে কেউ বাইরে থেকে গিয়ে হোস্টেলে হামলা চালিয়ে দিল সেটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। ভিতরের ছাত্রছাত্রীদের যোগ না থাকলে তা কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।"
সুচেতা তালুকদার, ঐশী ঘোষ, প্রিয়া রঞ্জন, যোগেন্দ্র ভরদ্বাজ, বিকাশ পটেলের মতো দু'পক্ষের একাধিক ছাত্রছাত্রীর নাম উঠে এসেছে ওই হিংসার নেপথ্যে। ঐশীরা যেমন বাম ছাত্র সংগঠনের পক্ষে তেমন সংস্কৃতে এমফিল পড়ুয়া বিকাশ ভরদ্বাজ এবিভিপির নেতা। বিকাশের নেতৃত্বেই ওই হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশ আরও জানিয়েছে, ৫ জানুয়ারি বিকেলে যখন সবরমতী হোস্টেলে হামলা চালানো হয়, তখন শান্তি বৈঠক চলছিল। এখনও পর্যন্ত যাঁদের নাম উঠে এসেছে, সেই ছাত্র নেতানেত্রীদের নোটিস পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।