Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আরও ৮৯ অ্যাপ এবার বাতিল সেনাবাহিনীতে, তীব্র ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক'-এ রয়েছে ফেসবুকও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে সংঘর্ষের পরে ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। সেই সঙ্গে চিনা পণ্য বয়কটের ডাকও উঠেছে। চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের এই আবহেই এবার ৮৯টি অ্যাপ বয়কট করার কড়া নির্দেশিকা জারি হল ভারতীয় সেনাবাহিনীতে

আরও ৮৯ অ্যাপ এবার বাতিল সেনাবাহিনীতে, তীব্র ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক'-এ রয়েছে ফেসবুকও

শেষ আপডেট: 10 July 2020 02:47

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে সংঘর্ষের পরে ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। সেই সঙ্গে চিনা পণ্য বয়কটের ডাকও উঠেছে। চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের এই আবহেই এবার ৮৯টি অ্যাপ বয়কট করার কড়া নির্দেশিকা জারি হল ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। এই তালিকায় রয়েছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিন্ডারের মতো জনপ্রিয় অ্যাপও। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রত্যেক সেনা জওয়ানকে তাঁদের স্মার্টফোনের  থেকে এইসব অ্যাপ মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, টিন্ডার, শেয়ার চ্যাট-সহ মেসেজিং অ্যাপ, ভিডিও অ্যাপ বা কনটেন্ট শেয়ারিং অ্যাপে অ্যাকাউন্ট থাকলে সেগুলো দ্রুত আনইনস্টিল করতে বলা হয়েছে। সেনা সূত্রে বলা হয়েছে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপে ব্যক্তিগত তথ্যের উপর নজর রাখা হয়। এর আগেও ফেসবুকের সূত্র ধরে হানিট্র্যাপে ফেলা হয়েছিল ভারতীয় জওয়ানদের। বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের চরম উত্তেজনার আবহে তাই নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্যই এই সমস্ত অ্যাপ সেনাবাহিনীতে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। কী কী অ্যাপ নিষিদ্ধ হতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে— মেসেজিং অ্যাপ—উই চ্যাট, হেলো, শেয়ার চ্যাট, ভাইবার, আইএমও, হাইক-সহ কয়েকটি মেসেজিং অ্যাপ। ভিডিও হোস্টিং অ্যাপ—টিকটক তো রয়েছেই, তাছাড়া লাইকি, সামোসা, কাওয়ালি ইত্যাদি। কনটেন্ট শেয়ারিং অ্যাপ—শেয়ার-ইট, জ়েনডার, জ়াপায়া ইত্যাদি। ওয়েব ব্রাউজার—ইউসি ব্রাউজার, ইউসি ব্রাউজার মিনি। ভিডিও এবং লাইভ স্ট্রিমিং—জ়ুম, লাইভমি, আপলাইভ ইত্যাদি। ইউটিলিটি অ্যাপ—ক্যাম স্ক্যানার, বিউটি প্লাস, ট্রু-কলার। গেমিং অ্যাপ—পাবজি, ক্ল্যাশ অব কিংস ইত্যাদি। ডেটিং অ্যাপ—টিন্ডার, ওকেকিউপিড, বাম্বল, কাউচ সার্ফিং ইত্যাদি। মিউজিক অ্যাপ—হাঙ্গামা, সঙ’স পিকে। মাইক্রোব্লগিং অ্যাপ—টাম্বলার, রেডিট ইত্যাদি। নিউজ অ্যাপ—নিউ নিউজ, ডেইলি হান্ট ইত্যাদি। ভারতে নিষিদ্ধ হওয়া চিনা অ্যাপগুলির মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় টিকটক ভিডিয়ো অ্যাপ, শেয়ারইট। তেমনই রয়েছে ওয়েবো, উইচ্যাট-এর মতো বহুল প্রচলিত অ্যাপগুলোও। ভারত সরকারের একটি টিকটক অ্যাকাউন্ট ছিল। তার নাম ছিল মাইগভ। তার ফলোয়ার ছিল ১১ লক্ষ। সেই অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সিনা ওয়েইবো নামে এক চিনা অ্যাপে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অ্যাকাউন্ট ছিল। চিনে ভারতীয় দূতাবাসের অনুরোধে সেই অ্যাকাউন্টও ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। চিনের এই অ্যাপগুলির মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা নষ্ট হচ্ছে এবং ব্যক্তিগত বহু তথ্য চুরি হয়ে যাচ্ছে বলে নানা মহল থেকে দীর্ঘদিন থেকেই অভিযোগ আসছিল। গালওয়ানে ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষের পর সেই অভিযোগ আরও জোরালো হয়। এমনকি কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকেও নানা মহল থেকে এই ধরনের অভিযোগ জমা পড়ে। তারপরেই কড়া পদক্ষেপ নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। মোবাইল, ট্যাব-সহ কোনও প্রকার গ্যাজেটেই আর ব্যবহার করা যাবে না ওই সব অ্যাপ। তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯-এ ধারায় মন্ত্রক তার ক্ষমতা ব্যবহার করে যে কোনও অ্যাপ নিষিদ্ধ করতে পারে। সেই আইন প্রয়োগ করেই এই ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এবং দেশের সার্বিক সুরক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত বলে কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ বলেন, এই অ্যাপ বাতিল আসলে চিনের বিরুদ্ধে ভারতের ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক।’

```