দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে বিধ্বংসী ঘুর্ণিঝড় উমফান। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করলেন, সারা দেশ আজ বাংলার পাশে। ওই রাজ্যকে সবরকম সাহায্য করা হবে।
ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতা। এযাবৎ নথিভুক্ত বঙ্গোপসাগরের সাইক্লোনগুলির মধ্যে উমফান ছিল সবচেয়ে সাংঘাতিক। কলকাতার ওপর দিয়ে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ঝড় বয়ে যায়। মারা যান অন্তত ১২ জন। বহু গাছ উপড়ে যায়। অনেক বাড়ির ক্ষতি হয়।
প্রধানমন্ত্রী এদিন টুইট করে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের অনেক ছবি দেখলাম। সাইক্লোন উমফান ভয়ংকর ক্ষতি করেছে। এখন খুব কঠিন সময়। সারা দেশ বাংলাকে সংহতি জানাচ্ছে। ওই রাজ্যের মানুষের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি যাতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।”
https://twitter.com/narendramodi/status/1263384064616103937
অপর একটি টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপর্যস্ত এলাকায় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিলিফ ফোর্স কাজ করছে। তাঁর কথায়, “প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় অফিসাররা পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে কেন্দ্রীয় সরকার।”
বুধবার দুপুর আড়াইটে থেকে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে উমফানের ল্যান্ডফল হতে থাকে। তারপরেই কলকাতায় শুরু হয় ঝড়। বহু গাছ উপড়ে যায়। বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সর্বনাশ হয়ে গেল।” পরে তিনি বলেন, করোনা অতিমহামারীর থেকেও উমফানে ক্ষতি হয়েছে বেশি। মোট ক্ষতির পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাঁর কথায়, “বহু এলাকা বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে। সব যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছে।” ঝড়ের আগে পাঁচ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার আগে বুঝতে পারেনি, ঝড় এত মারাত্মক আকার ধারণ করবে।