
শেষ আপডেট: 1 March 2024 16:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার রাজনীতির প্রচলিত ধারণাই হল, গত দেড় দশক ধরে সংখ্যালঘু ভোটের সিংহভাগই যাচ্ছে তৃণমূলের ঝুলিতে। সেটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট রসায়নের প্রধান শক্তি।
শুক্রবার আরামবাগের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করলেন, চব্বিশের লোকসভা ভোটে সেই ধারণাও এবার ভ্রান্ত প্রমাণিত হতে চলেছে।
লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। তার আগেই প্রচারে নেমে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলায় এদিন ছিল তাঁর প্রথম সভা।
সেই সভায় প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, “তৃণমূলের অহঙ্কার হল, তাদের একটা নিশ্চিত ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। এবার তৃণমূলের সেই অহঙ্কার ঘুচবে। এবার মুসলিম মা বোনেরাও তৃণমূলের গুন্ডারাজকে উপড়ে ফেলতে এগিয়ে আসবে।”
গত প্রায় দু’মাস ধরে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তৃতায় সেই প্রসঙ্গ যে থাকবে তা ধরেই নেওয়া হয়েছিল। হয়েছেও তাই। একে তো সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচরের ঘটনা নিয়ে এদিনের সভায় ঝাঁঝালো আক্রমণ করেছেন তিনি, সেই সঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতির অভিযোগ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, সন্দেশখলিতে কে নাটের গুরু তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার ভাল করে জানত। কিন্তু বিশেষ কারণেই তাকে ধরা হয়নি। কিছু লোকের ভোট সন্দেশখালির মহিলাদের আব্রুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বড় হয়ে গেল!
শাহজাহান শেখের নাম না করেও মোদী বলেন, দু’মাস ধরে যখন এই রাজ্যেই পলাতক ছিল, তখন কেউ তো বাঁচাচ্ছিল! এর পরেও জবাব দেবেন না? সব চোটের ভোট দিয়েই জবাব হবে।
এই প্রসঙ্গে ‘ইন্ডি’ জোটের নেতাদের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর কথায় গোটা দেশ সন্দেশখালির ঘটনা দেখতে পেল, ‘ইন্ডি’ জোটের নেতারাই দেখতে পেলেন না! তাঁর কথায়, কাউকে কাউকে বলতে শুনেছি, ছাড়ো বাংলায় এসব চলতেই থাকে। এরপরেই প্রশ্ন ছুড়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা বাংলার বীরপুরুষদের অপমান নয়? লোকসভা ভোটে এর জবাব দেবেন কিনা?