
শেষ আপডেট: 20 February 2023 15:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংখ্যালঘুদের (Minorities) গরিব অংশকে দলে টানতে হবে। সরকারি সুবিধা প্রদানে বিজেপি সরকারের 'সবকা সাথ' দৃষ্টিভঙ্গির সুবিধা ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষ পেয়েছেন, এই কথা প্রচার করতে হবে মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ সহ সংখ্যালঘুদের মধ্যে।
দলকে এমন বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। গতমাসে দিল্লিতে বিজেপির জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দলকে এই বার্তা দেন। এবার দল সেই মতো কর্মসূচি নিচ্ছে।
বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ১০ মার্চ থেকে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে দলের সংখ্যালঘু মোর্চা। তারা দেশে ৬৪টি জেলাকে চিহ্নিত করেছে যেখানে ৩০ শতাংশের বেশি বাসিন্দা ধর্মীয় সংখ্যালঘু। এই জেলাগুলির মধ্যে ৬০টি লোকসভা কেন্দ্র আছে যেগুলিতে সংখ্যালঘুদের উপর নির্ভর করে ভোটের ফল।
সম্প্রতি ছত্তীসগড়ের রাজধানী রায়পুরে বসেছিল বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার বৈঠক। সেখানে ঠিক হয়েছে, ৬০ জেলার আপাতত ১৪টিতে বিজেপি সপ্তাহব্যাপী প্রচার চালাবে সংখ্যালঘুদের মধ্যে। ১০ মার্চ থেকে শুরু হবে সংযোগ অভিযান।
এই ১৪ জেলার তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মণিপুর, অরুণাচলপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্নাটক, পাঞ্জাব ইত্যাদি।
এরমধ্যে কেরল, গোয়া এবং উত্তর-পূর্বর রাজ্যগুলিতে খ্রিস্টানরা ভোটের অন্যতম নির্ণায়ক শক্তি। কেরলে মুসলিমরাও বেশকিছু লোকসভা আসনে হার-জিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে থাকে। শিখরা নির্ণায়ক পাঞ্জাবে।
দলীয় সূত্রের খবর, চিহ্নিত ৬০ লোকসভা আসনের প্রতিটিতে বিজেপি পাঁচ হাজার ভোটারকে চিহ্নিত করেছে যারা কেন্দ্রের মোদী সরকারের নানা প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। প্রচার অভিযানে তাদের কাছে যাবে দল। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লেখক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, ডাক্তার, আইনজীবীদের মধ্যেও প্রচার চালানো হবে।
বিজেপি সূত্রের খবর, সংখ্যালঘু মোর্চার কর্মসূচি হলেও গোটা বিজেপি পরিবার এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে।
বঙ্গ বিজেপির সংখ্যালঘু মুখ তথা সখালঘু মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি আলি হুসেন বলেন, নরেন্দ্র মোদীর সরকারের 'সবকা সাথ….' স্লোগান যে মিথ্যে নয় সরকারি পরিসংখ্যানেই তা স্পষ্ট। কেউ বলতে পারবেন না সংখ্যালঘু বলে তিনি করোনার সময় বিনামূল্যের চাল পাননি। করোনার টিকা থেকেও কাউকে বঞ্চিত করা হয়নি। অতীতে দলগুলি সংখ্যালঘুদের ভোটের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। বিজেপি তা করেনি।'
তিনি বলেন, 'এই কথাগুলি আমরা বাংলার সংখ্যালঘুদের অনেকদিন ধরে বলছি। অনেকেই উপলদ্ধি করেছেন অতীতের সঙ্গে এখনকার ফারাকটা।'
তাঁর কথায়, 'বিপদের পাশে থাকেন যিনি, তিনিই সবচেয়ে বড় বন্ধু, করোনার সময় এই সত্যতা দেশের সংখ্যালঘুরাও উপলদ্ধি করেছেন।'
ছেলে হয়েছে, ৩ ঘণ্টা পরেই পরীক্ষাকেন্দ্রে ছুটলেন দশম শ্রেণির পড়ুয়া ২২ বছরের বধূ