
শেষ আপডেট: 22 April 2022 09:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নামখানা গণধর্ষণ (Namkhana Rape Case) তদন্তের ভার সেই দময়ন্তী সেনকেই দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। শুক্রবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিরম প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।
এদিন ঘটনা নিয়ে মামলায় রাজ্য সরকার অবশ্য ধর্ষণের অভিযোগ মানতেই চায়নি। অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে নামখানা ধর্ষণের ঘটনায় কেস ডায়েরি জমা দেওয়ার পর সেগুলো খতিয়ে দেখে ডিভিশন বেঞ্চ। ওই ঘটনায় দুটি এফআইআর করা হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি অ্যাডভোকেট জেনারেলের কাছে জানতে চান, নির্যাতিতার স্বাস্থ্যের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে? এজি জানিয়েছেন, ধর্ষণ নয় তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাই তাঁর স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করা হয়নি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কেন নির্যাতিতার স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করা হল না? সরকার জানায়, ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর বয়ান ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে।
ডিভিশন বেঞ্চ সঙ্গে সঙ্গে নির্যাতিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি তদন্তভার দিয়েছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ কমিশনার দময়ন্তীকে।
এর আগে দেগঙ্গা, মাটিয়া, ইংরেজবাজার এবং বাঁশদ্রোণী ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তে নজরদারির ভার দময়ন্তীকে দিয়েছে হাইকোর্ট। সেগুলির বিষয়ে প্রাথমিক রিপোর্ট তিনি কোর্টে জমা করেছেন। সেগুলিতে তিনি তদন্ত ঠিক মতো এগোচ্ছে কিনা সেটা পর্যালোচনা করছেন। নামখানার ক্ষেত্রে তাঁকেই তদন্তের ভার দেওয়া হল। নামখানা রাজ্য পুলিশ এলাকাভুক্ত। দময়ন্তী কলকাতা পুলিশের আধিকারিক। অবশ্য এ নিয়ে আইনি বাধা কিছু নেই। তবে এমন নজির কম এবং অবশ্যই তা রাজ্য পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের জন্য অস্বস্তিকর।
আদালত এদিন জানিয়েছে, দময়ন্তী যদি নামখানার তদন্তের ভার নিতে রাজি না হন তাহলে সিবিআইকে দেওয়ার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করবে আদালত।
কী হয়েছিল নামখানায়? সেখানে এক গৃহবধূকে গত ৮ এপ্রিল গভীর রাতে গণধর্ষণের করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তিনি রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরের বাইরে গেলে তাঁর উপর দুষ্কৃতীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, ৩০-এ মোদীর সঙ্গে একমঞ্চে থাকার সম্ভাবনা