দ্য ওয়াল ব্যুরো : এনডিএ-র সঙ্গ ছেড়েছেন মার্চ মাসে । অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলুগু দেশম নেতা চন্দ্রবাবু নাইডুকে ইউপিএ-তে আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বীরাপ্পা মইলি । চন্দ্রবাবু বৃহস্পতিবার দিল্লি গিয়ে একে একে প্রায় প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী নেতার সঙ্গে দেখা করেছেন। বিজেপি বিরোধী জোট গঠনে তিনি মুখ্য ভূমিকা নিতে চান ।
এদিন তিনি এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লার সঙ্গে দেখা করেন । সন্ধ্যায় তাঁর সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর আলোচনা হবে । এর আগে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, দলিতনেত্রী মায়াবতী, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী ও তামিলনাড়ুর কয়েকটি দলের সঙ্গে কথা বলেছেন।
চন্দ্রবাবুর সঙ্গে আজকের বৈঠকের পরে শরদ পাওয়ার বলেন, বিরোধী দলগুলিকে আমাদের জোটে স্বাগত জানাতে চাই । সরকারের বিরুদ্ধে সকলের একজোট হওয়া দরকার । সিবিআই, এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কে কী ঘটছে সকলেই দেখছেন।
তেলুগু দেশম পার্টি বরাবর কংগ্রেসের বিরোধিতা করে এসেছে । ন’য়ের দশকের শেষের দিকে তারা বাম দলগুলির সঙ্গে জোট বেঁধেছিল । ১৯৯৯, ২০০৪ ও ২০১৪ সালে তারা ছিল বিজেপির সঙ্গে । ২০০৯ সালে তারা তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির সঙ্গে জোট বেঁধে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল ।
হঠাৎ কেন কংগ্রেস বিরোধী অবস্থান থেকে সরে এলেন সেকথা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পার্টিকর্মীদের চন্দ্রবাবু বলেছেন, বিজেপিকে হারানো দরকার । নাহলে দেশের ক্ষতি হবে । এই বাধ্যবাধকতা থেকেই কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাতে হচ্ছে ।
পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, নিজের রাজ্যেও বাধ্যবাধকতা আছে নাইডুর । তাঁর পরম শত্রু, ওয়াই এস আর কংগ্রেসের জগনমোহন রেড্ডি হাত মিলিয়েছেন বিজেপির সঙ্গে । তার ফলে ভোটে বিপাকে পড়তে পারে তেলুগু দেশম । কিন্তু কংগ্রেসের হাত ধরলে তিনি জগনের ভোটে ভাগ বসাতে পারবেন বলে আশা করেন ।