Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

বাজি কারখানাকে কখন বেআইনি বলা হয়, লাইসেন্সই বা দেয় কারা?

বাংলায় বহুদিন ধরেই বাজির কারখানা রয়েছে। সব কারখানাই তো আর বেআইনি নয়। কোন কোন মাপকাঠিতে বিচার করে বাজি কারখানাগুলিকে বেআইনি বলা হয় তাহলে? 

বাজি কারখানাকে কখন বেআইনি বলা হয়, লাইসেন্সই বা দেয় কারা?

নিজস্ব ছবি

শেষ আপডেট: 7 February 2025 17:09

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আসছে প্রায়ই। সেই আবহেই শুক্রবার কল্যাণীতে বিস্ফোরণের ঘটনা সামনে এসেছে। যেই কারখানা আবার বেআইনি বলে জানা যাচ্ছে। যদিও বাংলায় বহুদিন ধরেই বাজির কারখানা রয়েছে। সব কারখানাই তো আর বেআইনি নয়। কোন কোন মাপকাঠিতে বিচার করে বাজি কারখানাগুলিকে বেআইনি বলা হয় তাহলে? 

নিয়ম বলছে, জেলাশাসক ১৫ কেজি পর্যন্ত বাজি ও তার মশলা তৈরির জন্য লাইসেন্স দেন। সেই ওজন যদি ১৫ কেজি থেকে ৫০০ কেজি পর্যন্ত হয়, 'কন্ট্রোলার অব এক্সপ্লোসিভস'-এর থেকে লাইসেন্স নেওয়া যায়। এর থেকেও বেশি ওজনের বাজির ব্যবসা করতে হলে তখন 'চিফ কন্ট্রোলার'-এর কাছে আবেদন জানালে তিনি লাইসেন্স দেন। অন্যদিকে বাজির কাঁচামাল, মশলা তৈরি করে তা প্যাকেটবন্দি করার জন্যেও আলাদা করে অনুমোদন নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। 

পরিবেশ দফতরের একটি তথ্য বলছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শুধুমাত্র সবুজ বাজি তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেখানে যাতে বেআইনি বাজি বিক্রি করা না হয়, তার জন্যও আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। শুধু তাই নয়, পরিবেশ দফতরের হিসাব বলছে, বাজি বানানোর ফ্যাক্টরির মধ্যে দূরত্ব থাকা উচিত কম করে ১৫ মিটার। তবে অনেকেরই মতে, এ সং নিয়ম কেবল খাতায় কলমেই রয়েছে। বাস্তবায়নের কোনও চিহ্নই নেই। তা না হলে রাজ্যে একের পর এক বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে না। 

গত কয়েক বছরে বাংলার বহু জায়গায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এগরায় ২০২৩ সালে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছিল। সেই নিয়ে যখন চর্চা অব্যাহত, তখনই আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। তার পরপরই তালিকায় উঠে আসে দত্তপুকুরের ঘটনা। সেখানে মারা যান ৭ জন। আর এবার কল্যাণী।

বস্তুত, কল্যাণীর রথতলায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন। কীভাবে এতবড় বিস্ফোরণ ঘটল, জেলা প্রশাসনের কাছে সেই রিপোর্টও চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। 


```