
রোগীকে নিষিদ্ধ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ
শেষ আপডেট: 19 January 2025 21:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে বিষাক্ত স্যালাইনের জেরে প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ সামনে আসতেই 'ভিলেন' রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন-সহএকাধিক ওষুধ পশ্চিমবঙ্গে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল স্বাস্থ্য ভবন। বিষাক্ত স্যালাইন নিয়ে যখন তোলপাড় গোটা রাজ্য, তখন ফের সেই স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক রোগীকে। তাও আবার সরকারি হাসপাতালে। এবার নদিয়ার পলাশিপাড়া থেকে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।
নদিয়ার পলাশিপাড়ার প্রীতিময়ী গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ঘটনা। সূত্রের খবর, রবিবার গোপীনাথপুর এলাকার বাসিন্দা রহিমা খাতুন নামে এক মহিলা প্রীতিময়ী গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি হন।
পরিবারের অভিযোগ, সে সময় তাঁকে ওই নিষিদ্ধ স্যালাইন দেওয়া হয়। এর পরেই বিষয়টি নার্সদের কাছে জানতে চান রোগীর আত্মীয়েরা। জবাবে নার্স জানান, চিকিৎসক নাকি নিজেই ওই স্যালাইন ব্যবহার করতে বলেছিলেন।
কয়েকদিন আগেই নদিয়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের সমস্ত স্যালাইন তালা বন্ধ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিষ্কার জানানো হয় তা কোনওভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। এরপরও যদি কোনও হাসপাতাল এই স্যালাইন ব্যবহার করেন তাহলে তার সব দায় সেই হাসপাতালে সুপারকে নিতে হবে।
তা সত্ত্বেও পলাশিপাড়া প্রীতিময়ী গ্রামীণ হাসপাতালে দেখা গেল পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যাল নামক ওই সংস্থার রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন কোম্পানির স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে রোগীকে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে বারবার নিষেধাজ্ঞা জারির পরও কীভাবে এই স্যালাইন ব্যবহার করা হচ্ছে?
পরিবারের দাবি, নিষিদ্ধ স্যালাইন দেওয়া হয়েছে রোগীকে। এত কিছুর পরেও কোনও শিক্ষা নেই। রোগীর যদি কিছু হয়ে যায়, তার দায় কে নেবে? দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করুক স্বাস্থ্য দফতর। জেলা উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, বাতবার বারনের পরেও কেন এমন সিদ্ধান্ত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিকল্প স্যালাইনের ব্যবস্থা করা হলেও কেন নিষিদ্ধ স্যালাইন ব্যবহার করা হল তা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।