স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সহ শিক্ষক
শেষ আপডেট: 27 November 2024 00:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: টুকলি ধরতে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ দাওয়াই। যার ফলও মিলল হাতেনাতে। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গীর চোয়াপাড়া দুর্লভেরপাড়া বিদ্যানিকেতনের ঘটনা। পরীক্ষায় যাতে পড়ুয়ারা কোনওভাবেই নকল করতে না পারে তার জন্য মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্য নিচ্ছেন শিক্ষকরা।
জানা গেছে পরীক্ষা দেওয়ার সময় আচমকাই ডিটেক্টর দিয়ে সার্চ করা হচ্ছে। মোবাইল বা ইলেকট্রনিক্স কোনও গেজেট থাকলে সহজেই তা হাতে এসে যাচ্ছে। সে কারণেই নকল করতে গিয়ে কালঘাম ছোটার অবস্থা দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের।
সোমবার মাধমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা ছিল। শিক্ষকদের মনে সন্দেহ ছিল পরীক্ষার্থীরা মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। তারপরেই স্কুলে থাকা মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। তাতেই মুশকিল আসান। দু'টি পরীক্ষা হল থেকে উদ্ধার হয় চারটি মোবাইল।
তবে মোবাইল উদ্ধারের ঘটনায় ছাত্রদের মাথা হেঁট হলেও শিক্ষকদের পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। প্রধান শিক্ষক গোলাম রহমান ও সহকারী শিক্ষক সুদীপ কুমার মুখোপাধ্যায়ের মতে, পুরোটাই তাঁদের দু'জনের মস্তিষ্কপ্রসূত। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে সার্চ করতে গেলে অনেকেই তাতে বাধা দেয়, হেনস্থার শিকার হতে হয় তাঁদের। তাই এমন ভাবনা।
কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে হয় তো ইলেকট্রনিক্স গেজেটের ব্যবহার আটকানো গেল। কিন্তু কেউ যদি কাগজে টুকলি করে আনে, সেক্ষেত্রে ডিটেক্টর না ডিটেক্টিভ হতে হবে শিক্ষকদেরই।