
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 20 August 2024 21:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে মধ্যরাতে হামলার ঘটনায় পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় কলকাতার দু'জন অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার ও একজন পুলিশ ইন্সপেক্টরকে সাসপেন্ড করল নবান্ন।
লালবাজার সূত্রের খবর, ১৪ অগস্ট রাতে ওই তিন অফিসার আরজি কর হাসপাতাল ও সংলগ্ন এলাকার দায়িত্বে ছিলেন। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। লালবাজার সূত্রে খবর, এরা হলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার রমেশ রায় চৌধুরী, মহম্মদ সাকিরুদ্দিন সর্দার এবং ইন্সপেক্টর রাজেশ মিনজ।
স্বাধীনতার মধ্যরাতে রাজপথের দখল নিয়েছিলেন মহিলারা। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে অরাজনৈতিক কর্মসূচি দেখেছিল রাজ্যবাসী। মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষ এমনকী বয়স্করাও সেই প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন। কিন্তু শান্তিপূর্ণ জমায়েতের মাঝেই তাণ্ডবলীলা চলে আরজি করে। দুষ্কৃতী হামলায় তছনছ হয়ে যায় জরুরি বিভাগ। হাসপাতালের কর্মীদের হুমকি তো দেওয়াই হয়েছে, মারা হয়ে পুলিশকেও। কিন্তু কেন সেই রাতে আরজি করের হামলা আটকাতে পারল না পুলিশ? এই নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকি কলকাতা হাইকোর্টেও তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ে রাজ্য।
মঙ্গলবার আরজি কর কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানিতে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে তীক্ষ্ণ ভাষায় ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্টও। ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন তাঁর নির্দেশে বলেছেন, ২২ অগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন সিবিআইকে প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন তাঁর নির্দেশে বলেছেন, আর কাউকে এখন রিপোর্ট দিতে হবে না। আমাদের কাছেই তা পেশ করবেন।
শুধু সিবিআই নয়, ২২ অগস্ট রাজ্য সরকারকেও একটি রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ১৪ অগস্ট মধ্যরাতের পর আরজি কর হাসপাতালে হামলা চালানোর ঘটনায় রাজ্য সরকার কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে সে ব্যাপারে রিপোর্ট পেশ করতে হবে।
শীর্ষ আদালতের ওই নির্দেশের পরই এবার মধ্যরাতে আরজি করে হামলার ঘটনায় তিন জন পুলিশ কর্তাকে সাসপেন্ড করল লালবাজার।