
নবান্ন অভিযানের মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনী।
শেষ আপডেট: 28 August 2024 00:00
প্রীতি সাহা
ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানকে আগেই বেআইনি ঘোষণা করেছিল পুলিশ। শুধু তাই নয়, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই নবান্ন চত্বরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছিল। বহুস্তরীয় ব্যারিকেডে মুড়ে রাখা হয়েছিল নবান্ন চত্বর। নামানো হয় কন্টেনারও। হাওড়া ব্রিজের দু’দিকেই রাখা ছিল গার্ডরেল। ছিলেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা পুলিশও।
আন্দোলনকারীদের হাতে আক্রান্ত হলেও পুলিশকে অবশ্য প্রথম থেকেই সংযত থাকতে দেখা গিয়েছে। তার চেয়েও তাৎপর্যপূর্ণ এদিনের অভিযানের মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ছিলেন না একজনও সিভিক ভলান্টিয়ার। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
কারণ, অতীতে এই ধরনের কর্মসূচিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও দেখা গিয়েছে। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, আন্দোলনকারীদের প্ররোচনায় সিভিক ভলান্টিয়াররা সহজেই পা দিতে পারেন, এমন আশঙ্কা থেকেই সম্ভবত তাদের রাখা হয়নি।
আর একটি মহলের মতে, আরজি কর কাণ্ডে অভিযুক্ত হিসেবে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে নিজেও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার। সাম্প্রতিক অতীতে আরও কয়েকটি ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা। তাই সম্ভবত, এতবড় অভিযান মোকাবিলায় একজনও সিভিক ভলান্টিয়ারকে রাখা হয়নি।
যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, গোটা রাজ্য থেকে সিভিক ভলেন্টিয়ার যারা তৃণমূলের ক্যাডার হয়ে ভোট করায় তাদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে আনা হয়েছিল!
মঙ্গলবার সকাল থেকে গোটা কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত অশান্তি ছিল। জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটকাতে ব্যারিকেড দিয়েছিল পুলিশ। পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ শুরু হলে পুলিশ জলকামান চালায়, কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। পাশাপাশি লাঠিচার্জও করা হয়। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, সিভিক ভলেন্টিয়াদের দিয়ে অত্যাচার করেছে পুলিশ।