Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মেঝেতে পড়ে স্ত্রীর দেহ, স্বামীর গলায় ফাঁস! শ্রীরামপুরে দম্পতির রহস্যমৃত্যু

মেঝেতে পড়ে স্ত্রীর দেহ, স্বামীর গলায় ফাঁস! শ্রীরামপুরে দম্পতির রহস্যমৃত্যু

শেষ আপডেট: 5 October 2023 16:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হইচই পড়ে গেছে শ্রীরামপুরে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, স্ত্রীকে খুন করার পরেই আত্মঘাতী হয়েছেন স্বামী। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম বিশ্বজিৎ দে (৫৭), সন্ধ্যা দে (৪৮)। তাঁরা শ্রীরামপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নেহেরুনগর কলোনির বাসিন্দা। স্থানীয়দের দাবি, দম্পতির পরিবারে প্রায়ই অশান্তি লেগেই থাকত। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে। ছোটো ছেলে তাঁদের কাছে থাকলেও বড় ছেলে দেবজিৎ দে স্ত্রীকে নিয়ে এলাকায় অন্য একটি বাড়িতে থাকেন। 

দেবজিৎ জানিয়েছেন, এদিন সকালে তিনি বাবা মাকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু ফোনও বেজে গিয়েছে, বাবা কিংবা মা কেউ তাঁর ফোন ধরেননি। তাই খোঁজ নিতে তিনি নেহেরুনগর কলোনির বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, মা সন্ধ্যা দে মৃত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছেন। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন বাবা। তড়িঘড়ি তিনি থানায় খবর দেন। পুলিশ গিয়ে দম্পতির দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

পুত্রবধূ শিবানী দে বলেন, 'আমরা আলাদা থাকি। তবে রোজ এসে রান্না করে দিয়ে যাই। দেওয়ের সঙ্গে শ্বশুর-শাশুড়ি থাকতেন। শাশুড়ি কয়েকদিন আগে বাপের বাড়িতে ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়ায় ডাক্তার দেখাবেন বলে তাঁকে সেখান থেকে নিয়ে এসেছিলেন শ্বশুর। আমার দেওর দেবাদিত্য সকালেই কাজে চলে গিয়েছিল। তখন শ্বশুর শাশুড়ি ছোটো ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন বলেই সে জানিয়েছে। কী থেকে কী হল, বুঝতে পারছি না।'

এলাকাবাসী ও আত্মীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, যে ছেলেদের সঙ্গে দম্পতির বনিবনা হত না। দম্পতির মধ্যেও বিবাহবর্হিভূত সম্পর্ক নিয়ে সমস্যা ছিল। কিন্তু তাঁদের মধ্যে কে এমন সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন সেবিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে চায়নি পুলিশ।


```