1.jpg)
নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 13 April 2025 19:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন নিয়ে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। দফায় দফায় ঝামেলা হয় বিভিন্ন এলাকায়। মৃত্যু হয় তিনজনের। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানাচ্ছে ডিজিপি রাজীব কুমার। এরই মাঝে এই গোটা ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট দিল সীমান্ত রক্ষী বাহিনী অর্থাৎ বিএসএফ। রিপোর্টে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য।
সূত্রের খবর, মুর্শিবাদের হিংসা নিয়ে বিএসএফের আইজিকে একটি রিপোর্ট দিয়েছেন বিএসএফেরই গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, জঙ্গিপুরের হিংসার পিছনে রয়েছে বাংলাদেশের জঙ্গিদের মদত। রিপোর্টে গোয়েন্দা বিভাগ দাবি করেছে, এর পিছনে হাত রয়েছে বাংলাদেশের জামাত জঙ্গিদের। এমনকী রাজ্যের সীমান্তবর্তী আরও কিছু এলাকায় এরকম হিংসা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
জানানো হয়েছে, জঙ্গিপুর মহকুমায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় পুরোটাই নদীর ওপর দিয়ে গিয়েছে। ফলে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়। বিএসএফের নজরদারি সত্ত্বেও জল সীমান্তের বেশ কিছু জায়গা গিয়ে অবাধে যাতায়াত করে বাংলাদেশের মানুষজন। গত বেশ কিছুদিন ধরে ভারতের একশ্রেণির নাগরিককে প্ররোচনা দিচ্ছিলেন তাঁরা। এমনকী ভারতীয়দের সঙ্গে মুখোমুখি ও ভিডিয়ো কনফারেন্সে বৈঠকও হয়েছে।
বিশেষ করে জঙ্গিপুর সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জঙ্গি ও দুষ্কৃতীদের ডেরা হিসাবে কুখ্যাত। সেখান থেকে জঙ্গিরা ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের হিংসাত্মক হয়ে উঠতে প্ররোচনা দিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এমনকী হামলাকারীদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।