দ্য ওয়াল ব্যুরো: নেমন্তন্ন বাড়িতে খুব দামি দামি গয়না পরে যেতেন হায়দরাবাদের সানা বেগম। তাঁর দুই ছেলে, ২০ বছরের সৈয়দ মহম্মদ আর ১৮ বছরের সৈয়দ সাহিলও খরচ করত দেদার। অথচ তাদের লেখাপড়া বেশিদূর নয়। চাকরিবাকরিও করত না কিছু। এই দেখে সন্দেহ হয়েছিল পাড়াপড়শিদের। তাঁরাই খবর দিয়েছিলেন পুলিশে। তদন্তে জানা গেল, সানা বেগম তাঁর দুই ছেলেকে দিয়ে চুরি করাতেন। চুরির মাল বেচতেন মহম্মদ নুরুদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে। পুলিশ সানা বেগম, তাঁর দুই ছেলে আর মহম্মদ নুরুদ্দিন, চার জনকেই গ্রেফতার করেছে।
হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার অঞ্জনী কুমার জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে সানা বেগম তাঁর দুই ছেলেকে চুরি করতে নামিয়েছিলেন। তারা শহরের অভিজাত এলাকাগুলিতে ঘোরাফেরা করত। কোন বাড়িতে চুরি করলে বেশি মালপত্র পাওয়া যাবে খোঁজ নিত। রাতে জানলার গ্রিল খুলে নির্দিষ্ট বাড়িতে ঢুকে পড়ত দুই ভাই। তাদের নজর থাকত সোনাদানা আর ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতির ওপরে।
মহম্মদ নুরুদ্দিনের নুর জুয়েলার্স নামে এক দোকান ছিল। সেই দোকানের মাধ্যমে বেচাকেনা হাত চুরির গয়না আর ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি।
মোট ৩৩টি বাড়িতে চুরি করেছিল সানা বেগমের দুই ছেলে। তাঁদের বাড়িতে তল্লাশি করে পুলিশ ১.৬৫ কেজি সোনা, ৮০ তোলা রুপো ও ৭০ লক্ষ টাকা দামের অন্যান্য জিনিসপত্র পেয়েছে।