দ্য ওয়াল ব্যুরো : ইমরান খান প্রশাসনের মানবাধিকার মন্ত্রী শিরিন মাজারি গত কাল রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে দীর্ঘ চিঠি পাঠিয়ে বলেন, কাশ্মীরে যে হিংসার ঘটনা ঘটছে তা মেনে নিয়েছেন বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। পর্যবেক্ষকদের মতে এর পরেই রাহুল সতর্ক হয়ে যান। কারণ ওই চিঠিটিকে বিজেপি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করতে পারে। সেইমতো বুধবার পাকিস্তানের নিন্দা করে বিবৃতিও দেন রাহুল। আলাদা করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেয় কংগ্রেসও। তারপরেও এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে রাহুলের কড়া সমালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। তাঁর দাবি, এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনীতি আগে কেউ করেনি। এখন দেশ জুড়ে খারাপ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে দেখে তিনি সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলছেন। রাহুলকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে তিনি দাবি করেন।
https://twitter.com/PrakashJavdekar/status/1166658511503122432
https://twitter.com/PrakashJavdekar/status/1166658187996434432
বুধবার রাহুল যে বিবৃতি দিয়েছেন, তাকে প্রকাশ বলেন ‘ইউ টার্ন’। প্রকাশের কথায়, কংগ্রেস নেতা কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন কথাবার্তা বলেছেন। তিনি বলেছেন, কাশ্মীরে নাকি হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে। এই মন্তব্যে সারা দেশ অপমানিত হয়েছে। পাকিস্তান রাষ্ট্রপুঞ্জে অভিযোগ করার সময় রাহুলের বক্তব্যকে ব্যবহার করেছে। সারা দেশে খারাপ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে দেখেই রাহুল গান্ধী আগের মন্তব্য থেকে সরে এসেছেন।
বুধবার রাহুল টুইট করে বলেন, সরকারের সঙ্গে অনেক বিষয়ে আমার মতান্তর রয়েছে। কিন্তু একটা কথা স্পষ্ট করে দিতে চাই। কাশ্মীর হল ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, এ ব্যাপারে পাকিস্তান বা অন্য কোনও দেশের নাক গলানোর কোনও জায়গা নেই।
তিনি টুইটে আরও লিখেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে হিংসার ঘটনা ঘটছে ঠিকই। কিন্তু এও ঠিক যে, পাকিস্তানের উস্কানি ও মদতেই তা হচ্ছে। পাকিস্তান যে সন্ত্রাসবাদের সমর্থক তা গোটা বিশ্ব জানে।
https://twitter.com/RahulGandhi/status/1166556113715810304
এদিন কংগ্রেস বলেছে, পাকিস্তান অন্যায়ভাবে রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাঠানো আবেদনে রাহুলের নাম উল্লেখ করেছে। ওইভাবে কাশ্মীর নিয়ে তাদের মিথ্যা প্রচারকে সত্যি বলে প্রমাণ করতে চেয়েছে তারা। পরে বলা হয়েছে, জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখ হল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পাকিস্তানই সেখানে হিংসায় উস্কানি দেয়।