
শেষ আপডেট: 17 May 2019 11:34
সেভেন সামিটসের কর্ণধার মিংমা শেরপা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মাকালু শৃঙ্গ ছুঁয়ে নামার সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নারায়ণ সিং। আট হাজার ২০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাঁকে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়। দলের সদস্যরা এবং শেরপারা চেষ্টা করেন তাঁকে দ্রুত নীচে নিয়ে আসার, কারণ হাউ অল্টিটিউড সিকনেসে আক্রান্ত হয়েছিলেন নারায়ণ। কিন্তু চেষ্টা ব্যর্থ হয় শেষমেশ। গত কাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতেই মারা যান তিনি।
[caption id="attachment_105041" align="aligncenter" width="800"]
ভারতীয় সেনার পর্বতারোহী দল।[/caption]
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মেজর মনোজ জোশীর নেতৃত্বে মাকালু অভিযানে যাওয়া এই সেনাদলের তরফেই কয়েক দিন আগে দাবি করা হয়েছিল, তারা ইয়েতির পায়ের ছাপ দেখেছে বরফের উপরে। এই নিয়ে বহু তর্ক-বিতর্ক চললেও, শেষমেশ অভিযান সফল হয়েছিল তাদের। কিন্তু সেই সাফল্যেই মিশে গেল মৃত্যুর বিষাদ।
[caption id="attachment_105043" align="aligncenter" width="1086"]
নারায়ণ সিং (চিহ্নিত)[/caption]
অন্য দিকে, এভারেস্টের সামিট ক্যাম্পে অর্থাৎ ক্যাম্প ফোরে শুক্রবার সকালেই উদ্ধার হয় রবি ঠাকুরের মৃতদেহ। জানা গিয়েছে, আয়ারল্যান্ডের একটি পর্বতারোহী দলের সদস্য হিসেবে, নোয়েল রিচার্ড হান্নার নেতৃত্বে এভারেস্ট অভিযানে গিয়েছিলেন পেশায় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, হরিয়ানার বাসিন্দা রবি ঠাকুর।
[caption id="attachment_105039" align="aligncenter" width="730"]
রবি ঠাকুর।[/caption]
বৃহস্পতিবার সকালেই রবি তাঁর দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে এভারেস্টে পা রেখেছিলেন। সেখান থেকে নামার সময়ে দলের এক আইরিশ সদস্য সিমাস সিন ললেস পড়ে যান পাহাড়ের ঢালে। তিনি এখনও নিখোঁজ। বাকি সকলে ক্যাম্প ফোরে নেমেও আসেন। কিন্তু শুক্রবার সকালেই টেন্টের ভিতরে উদ্ধার হয় রবি ঠাকুরের দেহ। শেরপারা জানিয়েছেন, সম্ভবত বেশি উচ্চতায় অসুস্থতাজনিত কারণে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
আট হাজার মিটারের বেশি উচ্চতাকে পাহাড়ি পরিভাষায় 'ডেথ জ়োন' বলে। সমতলের সঙ্গে অভ্যস্ত শরীর উচ্চতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে নানা রকম সমস্যায় পড়ে। সেই সমস্যাই আসলে হাই অল্টিটিউড সিকনেস।