দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিতে বসবাসকারী তিব্বতীদের কাছ থেকে দলাই লামার তথ্য জোগাড় করার জন্য অপারেশন চালাচ্ছিল চিনা যুবক লুও স্যাং, গতকাল পর্যন্ত এমনটাই জানতে পেরেছিলেন আয়কর বিভাগের কর্তারা। আজ, সোমবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানাল, ১ হাজার কোটি টাকার আর্থিক তছরুপেও জড়িয়ে রয়েছে সে। ইডি সূত্রের খবর ২০১৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির পুলিশের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা রুজু করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আয়কর কর্তাদের বক্তব্য, হাওয়ালার মাধ্যমে এক হাজার কোটি টাকার বেশি চিনে পাচার করেছে এই যুবক। জাল কাগজপত্র করে ভারতে ৪০টির মতো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছিল এই যুবক। সব ক’টি অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করেছে ইনকাম ট্যাক্স।
বিভিন্ন ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে টাকা পাচার করত এই যুবক। আয়কর দফতরের আতস কাচের নীচে রয়েছেন দিল্লির এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টও। হাওয়ালায় জড়িত চিনা যুবককে তিনিই সমস্ত সাহায্য করতেন বলে অনুমান তদন্তকারীদের। দু’একদিনের মধ্যে তাঁকেও জেরা করা হতে পারে বলে খবর।
২০১৮ সালে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এই যুবক গ্রেফতার হয়েছিল। পরে সে জামিন পায়। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে নেপাল হয়ে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল লুও স্যাং। তারপর শিলঙের এক মহিলার সঙ্গে বিয়ে তার।
এর পরে দিল্লির মঞ্জু কা টিলা এলাকায় এসে কাজ শুরু করে সে। চার্লি পেং নাম নিয়ে যোগাযোগ করে ওই এলাকায় বাস করা তিব্বতী পরিবারগুলির সঙ্গে। সূত্রের খবর, বেজিংয়ের চক্ষুশূল দলাই লামার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিল সে। তবে এখনও পর্যন্ত লুও সাংকে হাওয়ালা সংযোগ ও আর্থিক তছরুপ নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।