দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার, বছরের প্রথম দিনেই একটি সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, অযোধ্যা মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে সরকার। তা ঘোষণার পরেই উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।
মোদীর ওই সাক্ষাৎকার সম্প্রচার হওয়ার প্রহর খানেকের মধ্যেই প্রতিক্রিয়া জানাল নাগপুর। আরএসএস শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়ে দিলেন, প্রধানমন্ত্রীর কথা ইতিবাচক ঠিকই। তবে ভুলে গেলে চলবে না সরকারের এই মেয়াদেই রাম মন্দির নির্মাণের বন্দোবস্ত করার জন্য ভোটে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য অধ্যাদেশ তথা অর্ডিন্যান্স জারি করার ব্যাপারে ইতিমধ্যে দাবি জানিয়েছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবৎ। সহ সর সঙ্ঘচালকও সেই দাবি জানিয়েছেন। সে ব্যাপারেই এ দিনের সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। জানতে চাওয়া হয়েছিল, সরকার কি অধ্যাদেশ জারি করার কথা ভাবছে। উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় দেখেই পরের পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। অর্থাৎ অধ্যাদেশের সম্ভাবনা একেবারেই খারিজ করে দেননি তিনি। সেই সঙ্গে মোদী এও বলেন, “বিজেপি সর্বদাই সাংবিধানিক পরিকাঠামোর মধ্যে থেকে মন্দির সমস্যার সমাধানের কথা বলেছে।”
https://twitter.com/RSSorg/status/1080137744834150400
https://twitter.com/RSSorg/status/1080137747258470400
মোদীর এই মন্তব্যের পর আরএসএসের তরফে দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, “মন্দির নির্মাণের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে ইতিবাচক বলেই মনে করছি। অযোধ্যায় ভব্য মন্দির গড়ার লক্ষ্যেই প্রত্যয় জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ৮৯ সালে পালামপুরে গৃহীত প্রস্তাবের সঙ্গে এই অবস্থানের ফারাক নেই। কারণ, ওই প্রস্তাবেও বলা হয়েছিল দুই সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমে আইনি পথেই অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করা হবে।” তবে একই সঙ্গে দত্তাত্রেয় বলেন, “দেশের মানুষ বিজেপি-র উপর আস্থা রেখে পূর্ণ বহুমত দিয়েছিল। বিজেপি-ও ভোট ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সাংবিধানিক পরিধির মধ্যে থেকে মন্দির নির্মাণের সব রকম চেষ্টা করবে। মানুষ আশা করছে এই মেয়াদের মধ্য সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে সরকার।