
শেষ আপডেট: 13 May 2023 04:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটকে এখনও সব কেন্দ্রে প্রথম দফার গণনা শেষ হয়নি। তবে সময় যত গড়াচ্ছে ততই কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে ফারাক বাড়ছে। কংগ্রেসের ঝুলিতে এগিয়ে থাকা আসনের সংখ্যা বাড়ছে। তবে বেলা ১’টা-দেড়টার আগে পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে না। তবে ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে কর্নাটকে (karnataka Election) কাজ করেনি মোদী ম্যাজিক (Modi magic didn't click in Karnataka)।
যদিও কর্নাটকের ভোটের প্রচারেই প্রধানমন্ত্রী বলতে গেলে বাসা বদল করে সেখানে থাকা শুরু করেছিলেন। প্রচারের শেষ দশ দিনে ১৭টি সভা করেছেন। রোড শো করছেন অন্তত ১০টি। বাদ যাননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। সাত দিন কর্নাটকে ক্যাম্প করে ছিলেন তিনি।
শুধু এই দুই নেতাই নয়, কেন্দ্রীয় নেতা-মন্ত্রীরা তো আছেই, যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, শিবরাজ সিং চৌহান-সহ একাধিক মুখ্যমন্ত্রীকেও নামানো হয়েছিল প্রচারে। স্বভাবতই কন্নড় ভূমে হিন্দি বলয়-সহ বহিরাগত নেতাদের দাপট দলের বিরুদ্ধে গিয়েছে বলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
গণনার প্রবণতা থেকে স্পষ্ট ২০১৮-র পর কর্নাটকে এবারও কাজ করল না মোদী ম্যাজিক। তবে পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে ১০৪ আসন পেয়ে বিজেপি হয়েছিল সবচেয়ে বড় পার্টি। এবার ছবিটা বদলে গিয়েছে। সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দল হিসাবে কংগ্রেস অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতারা প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাবমূর্তি রক্ষায় নেমে পড়েছেন। টেলিভিশন চ্যানেলে বিজেপির মুখপাত্ররা পিছিয়ে থাকার ব্যাখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে আড়াল করছেন। তাঁদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী সব রাজ্যেই প্রচার করে থাকেন। দল শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হলে দায় গোটা পার্টির। তাঁরা আরও বলছেন, কর্নাটকের ভোটের সঙ্গে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই। ফলে এই ভোটের ফল শেষ পর্যন্ত যাই হোক না কেন তা পদ্ম শিবিরের জন্য মোটেই বিপদের কারণ হবে না।
সব মিলিয়ে কর্নাটক বিজেপিতে এখনই ২০২১-এর বাংলার বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ আলোচনায় চলে এসেছে। বাংলায় সেবার ২০০ আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখানো মোদী-শাহ জুটি একশো পাড় করাতে পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলায়। তখনও দেখা গিয়েছিল রাতারাতি রাজ্য পার্টির উপর দায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কয়েক মাস পর রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে।
বাংলায় বিজেপি সেবার কাউকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরেনি। কিন্তু কর্নাটকে দল ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইকে প্রচারে সেভাবে সামনের সারিতে আনেনি। এমনকী প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর যৌথসভাও হয়েছে হাতে গোটা কয়েকটি।
ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, স্থানীয় নেতাদের গুরুত্ব না দেওয়াতেই কি দলের ফল খারাপ হতে চলেছে। নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী কংগ্রেস ৪৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বিজেপির ঝুলিয়ে ৩৮ শতাংশ।
রাহুলের ছবি দিয়ে সকাল সকাল টুইট কংগ্রেসের, আজ আমি অপরাজেয়, কেউ আটকাতে পারবে না