
শেষ আপডেট: 9 February 2020 18:30
গত ২০ জানুয়ারি জাপানের ইয়োকোহামা থেকে রওনা দেয় ডায়মন্ড এক্সপ্রেস। ২৫ জানুয়ারি জাহাজে ওঠেন হংকংয়ের এক যাত্রী। কিছুদিনের মধ্যেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন তিনি। পরীক্ষা করে দেখা যায় ওই যাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। সংক্রমণ নিয়েই জাহাজে উঠেছিলেন। তারপর থেকেই যাত্রীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করে। এখনও অবধি ৪১ জনকে কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়েছে, ৬৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ। সন্দেহের তালিকায় আরও ৩৫৬ জন। বিনয় জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যো এখনও সংক্রমণ ধরা পড়েনি। তবে কাউকে পরীক্ষাও করা হয়নি। সকলেই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। পরিবারের কাছে ফিরে যেতে যান সকলেই।
কিছুদিন আগেই এই জাহাজেরই এক ব্রিটিশ যাত্রী ফেসবুক পোস্ট করে জাহাজের ভিতরের অবস্থার কথা বলেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, বেশিরভাগ যাত্রীর অবস্থাই শোচনীয়। সকলেই তাঁদের নির্দিষ্ট কেবিনে আটকে রয়েছেন। বাইরে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। উদ্ধারের কী ব্যবস্থা হচ্ছে সেই ব্যাপারেও মুখে কুলুপ এঁটেছেন জাহাজের নাবিকরা। দু’সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনের সময়সীমাও পেরিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ডায়মন্ড এক্সপ্রেস জাহাজে ভারতীয়দের উদ্ধার করার প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, জাহাজের যাত্রীদের উদ্ধার করার জন্য চেষ্টা চলছে। ওই জাহাজের ভিতরে কোনও ভারতীয় এখনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলেই খবর। কলকাতার জাপানি দূতাবাসের সঙ্গেও কথা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি উদ্ধারকারী জাহাজ পাঠানো হবে। অন্যদিকে, জাপান সরকারের সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।