
শেষ আপডেট: 13 October 2022 17:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি সংলগ্ন গুরগাঁওয়ের (Gurugram) একটি মসজিদে (Mosque) নমাজ পড়ার সময় ভিতরে ঢুকে মারধর এবং ভাঙচুর (Mob Attack) চালানোর অভিযোগ উঠল ২০০ জনেরও বেশি দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি সেই মসজিদের গেটও ভাঙচুর করা হয়। সব শেষে ওই মসজিদের গেট বন্ধ করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় ওই এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এই ঘটনায় গুরগাঁও পুলিশ এক ডজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মসজিদ ভাঙচুর এবং ভিতরে ঢুকে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় গুরুগ্রামের ভোরাকালান এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। এফআইআরে পুলিশ আরও লেখে যে, এলাকার কিছু দুষ্কৃতী স্থানীয় একটি মসজিদে ভাঙচুর করে এবং লোকজনকে মারধরের পাশাপাশি খুনের হুমকিও দেয়। এরপর মসজিদের গেট বন্ধ করে তারা পালিয়ে যায়।
ঘটনার প্রেক্ষিতে সুবেদার নজর মহম্মদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভোরাকালানে মাত্র চারটি মুসলিম পরিবার বাস করে। বুধবার তিনি এবং অন্যরা যখন মসজিদে নমাজ পড়ছিলেন, তখনই ২০০ জনেরও বেশি দুষ্কৃতী ভেতরে ঢুকে তাঁদের উপরে হামলা চালায়। এমনকি সেই দুষ্কৃতীরা তাঁদের এলাকা ছাড়ার হুমকিও দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কেরলের ‘নরখাদক’ কবিতাও লিখত ফেসবুকে! নৃশংসতার হিসেব মেলাতে পারছেন না তদন্তকারীরা
পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ১৪৭ (দাঙ্গা), ১৪৮ (অস্ত্র নিয়ে দাঙ্গা), ২৯৫-এ ধারা (ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত)-এর আওতায় মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ তিন অভিযুক্ত রাজেশ চৌহান, অনিল ভাদৌরিয়া এবং সঞ্জয় ব্যাসকে শনাক্ত করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত পুলিশের জালে কোনও অপরাধী ধরা পড়েনি। পুলিশের দাবি, তদন্তে যারাই দোষী প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।