নগ্ন হয়ে ঘুরছে নাবালিকারা, 'ভগবান তুষ্ট হবেন, বৃষ্টি হবে', দাবি গ্রামবাসীদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলার একটি গ্রাম। যেখানে খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বস্তি ফেরাতে নগ্ন করে ঘোরানো হয় অল্পবয়সী মেয়েদের। জানা গিয়েছে, গ্রামে বৃষ্টি আনতে, ভাল ফসল চাষের আশায় একটি অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ছয়টি মেয়েকে নগ্ন করে গ্রামে ঘ
শেষ আপডেট: 7 September 2021 05:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলার একটি গ্রাম। যেখানে খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বস্তি ফেরাতে নগ্ন করে ঘোরানো হয় অল্পবয়সী মেয়েদের। জানা গিয়েছে, গ্রামে বৃষ্টি আনতে, ভাল ফসল চাষের আশায় একটি অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ছয়টি মেয়েকে নগ্ন করে গ্রামে ঘোরানো হয়েছিল। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, এর ফলে ভগবান তুষ্ট হবেন এবং বৃষ্টি এনে খরা পরিস্থিতি থেকে স্বস্তি দেবেন।
এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠেছে প্রশাসন। ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস বা এনসিপিসিআর দমোহ জেলা প্রশাসনের কাছে শীঘ্রই এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রিপোর্ট পেশ করতে বলেছে। জানা গিয়েছে, গত রবিবার মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ডের দামোহ জেলা সদর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে বানিয়া গ্রামে ঘটেছে।
আফগানিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় খুলল, পর্দার আড়াল থেকে ক্লাস করলেন মেয়েরাও
জেলা আধিকারিক জানিয়েছেন, এনসিপিসিআরের কাছে জবাব জমা দেওয়া হবে। এদিকে, দামোহ জেলার পুলিশ সুপার ডি আর তেনিওয়ার বলেন, 'পুলিশ খবর পেয়েছে যে স্থানীয়দের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুজোর অনুষ্ঠানে ভগবানকে সন্তুষ্ট করার জন্য কিছু অল্পবয়সী মেয়েদের নগ্ন করা হয়। এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও যেভাবে কুসংস্কার চেপে বসে রয়েছে, তাতে অবাক হতে হয়।'
এর পাশাপাশি তিনি বলেন, 'পুলিশ ইতিমধ্যে এই ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে। যদি দেখা যায় যে, সেই মেয়েদের নগ্ন হতে বাধ্য করা হয়েছে, তাহলে অভিযুক্ত গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় সহমত থাকতে পারেন নাবালিকাদের মা-বাবাও। তাঁদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। গ্রামবাসীদের কুসংস্কার দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে এই ঘটনার দুটি ভিডিও সামনে এসেছে। তার মধ্যে একটিতে দেখা যায়, এক নাবালিকা নগ্ন অবস্থায় একটি কাঠের খাদ দিয়ে কাঁধে বাঁধা একটি ব্যাঙের সাথে হেঁটে যাচ্ছে। পেছন পেছন তাঁকে অনুসরণ করে ভজন গেয়ে এগিয়ে চলেছে একদল মহিলা। অন্য একটি ভিডিওতে কিছু মহিলাকে বলতে শোনা যায় যে, বৃষ্টির অভাবে ধানের ফসল শুকিয়ে যাওয়ায় এই অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি এরপরই বৃষ্টি আসবে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'