
শেষ আপডেট: 26 November 2023 19:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জয়নগরে তৃণমূল নেতা সইফউদ্দিন লস্কর খুন হয়েছেন প্রায় ১৫ দিন হয়ে গেছে। এর মধ্যে রবিবার জয়নগরে গেলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেখানে গিয়ে তিনি নিহত নেতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। ওই সইফুদ্দিনের পরিবার মন্ত্রীর কাছে 'ইনসাফ' চেয়েছেন।
ফিরহাদ জানিয়েছেন, “খুবই দরিদ্র পরিবার। তাঁদের পাশে দল আছে। ওঁরা আমাকে বলল, 'আমরা ইনসাফ চাই। প্রকৃত যে দোষী তার শাস্তি চাই।' আমি বিশ্বাস করি যে, পুলিশ আসল দোষীদের গ্রেফতার করে কেস সাজিয়ে কোর্টকে দেবে। কোর্ট দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবে।“
মন্ত্রীর দাবি, এলাকায় সিপিএম-বিজেপি একজোট হয়েছে। বিজেপির লোকজনই এই ঘটনায় টাকা পয়সা নিয়ে সাহায্য করেছে। তাই তিনি পুলিশের কাছে দাবি জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা কোথা থেকে রিভলভার পেল, বাইক কোথা থেকে পেল, কারা কারা এই চক্রান্তে জড়িত ছিল, তার সমস্ত প্রমাণ পুলিশ বিচারকের কাছে দ্রুত পেশ করুক। কোর্টের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা আছে।
এদিন বামনগাছি অঞ্চলে মরিশ্বর মতিলাল অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নিহত তৃণমূল নেতার স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। সইফউদ্দিন লস্করের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর স্মরণ সভায় যান ফিরহাদ। মন্ত্রীর সঙ্গে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা ও জয়নগরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস, বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক বিভাস সর্দার, সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তীও ছিলেন।
গত ১৩ নভেম্বর বাড়ির কাছে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দলুইখাঁকি গ্রামের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি সইফুদ্দিন লস্করকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনা আপাতত এক সিপিএম কর্মী অনিসুর রহমান সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক দুষ্কৃতীকে ঘটনাস্থলে ধরে ফেলে জনতা। গণপিটুনিতে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরেই বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।