
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 31 March 2024 22:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গে দু-তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। কিন্তু তা যে এমন রূপ নেবে সেটা হয়তো কল্পনা করা যায়নি। জলপাইগুড়িতে যে ঝড় হয়েছে তা 'মিনি টর্নেডো' বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া দফতর। বিপদ যে এখনও কাটেনি তেমন আভাসও দেওয়া হয়েছে। যদিও রবিবার যে রকম তাণ্ডব চলেছে, সে রকম কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
হাওয়া অফিস মনে করছে, জলপাইগুড়িতে অনেক কম এলাকার মধ্যে ঝড়ের ব্যাপকতা বেশি ছিল। হাওয়ার গতিবেগ ৮০-৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হতে পারে। সেই কারণেই এই বিধ্বংসী ঘটনা ঘটেছে। রাত বাড়লে আরও ঝড় হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে তখন ঝড়ের গতিবেগ ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, নেপাল থেকে আসা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মেঘের কারণে এই ঝড়-বৃষ্টি হবে।
মাত্র ১৫ মিনিটের ঝড়ের তাণ্ডবে জলপাইগুড়ি শহর, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ির বেশ কিছু এলাকা ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ময়নাগুড়িতে ৫০০ গ্রাম ওজনের শিল পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীদের। রবিবার বেলা সাড়ে ৩ টে নাগাদ জলপাইগুড়ি জেলায় ব্যাপক কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। ১৫ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়েই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আহতের সংখ্যা অন্তত ২০০।
রাতেই সেখানে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার জলপাইগুড়ি যাওয়ার কথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই মুহূর্তে বিভিন্ন ব্লকের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলপাইগুড়ি শহরে ঝড়ের পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেমেছে পৌরসভা।