.webp)
বাংলাদেশ সীমান্তের বাসিন্দাদের নিয়ে বৈঠক করলেন বিএসএফ আধিকারিকরা।
শেষ আপডেট: 6 August 2024 22:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হিংসার আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ। যেকোনও মুহূর্তে তার প্রভাব পড়তে পারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেও রয়েছে বিস্তীর্ণ সীমান্ত এলাকা। ইতিমধ্যে সেখানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এবার সীমান্তে বসবাসকারী বাসিন্দাদের সতর্ক করতে বিশেষ বৈঠক করলেন বিএসএফের আধিকারিকরা।
বিএসএফের ৯৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের পক্ষ থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমানডেন্ট মনোজ কুমার গ্রামবাসীদের সাফ জানালেন, জেল ভাঙা জামাত জঙ্গিরা যে কোনও সময় ভারতের সীমান্ত পার হতে পারে। তাই এ ব্যাপারে কী কী করণীয় তাও জানিয়ে দিলেন গ্রামবাসীদের।
ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা খাড়িজা বেরুবাড়ির ২ নং গ্রামপঞ্চায়েতের নতুন সর্দার পাড়া গ্রামে এদিন গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএসএফ। সেখানে গ্রামবাসীদের বাংলাদেশের ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে বিএসএফ কর্তারা বলেন, এই মুহূর্তে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নেই। তাই অযথা সীমান্ত এলাকায় গবাদি পশু ছেড়ে দেবেন না। পাশাপাশি কেউ যদি আর্থিক প্রলোভন দিয়ে কাউকে রাতে আশ্রয় দিতে বলে তবে সঙ্গে সঙ্গে বিএসএফকে জানাবেন।
প্রসঙ্গ, সুরক্ষার স্বার্থে ইতিমধ্যে সীমান্তের সমস্ত গেট বন্ধ করে দিয়েছে বিএসএফ। বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও।
বৈঠকে হাজির ছিলেন স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্য দেবকী রায়। তিনি বলেন, "সীমান্ত দিয়ে লোকজন এদেশে ঢুকতে পারে। তাদের মধ্যে জেল পালানো জঙ্গিরাও রয়েছে। আবার উদ্বাস্তুরাও আসতে পারে। তাই কোনও প্রলোভনে পা না দিয়ে এরকম ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিএসএফের কর্তারা।"
বৈঠকে উপস্থিত গ্রামবাসী অমল রায়, নীহাররঞ্জন রায় বলেন, "এখন সীমান্তে গবাদি পশু নিয়ে যেতে বারণ করেছেন আধিকারিকরা। কারণ, বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। ফলে সীমান্তে গেলে জীবনের ঝুঁকিও হতে পারে। একই সঙ্গে অনুপ্রবেশের প্রশ্নেও সচেতন করেছে। আমরা সবদিকে নজর রাখার আশ্বাস দিয়েছি।"