
ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের মামলা।
শেষ আপডেট: 3 July 2024 19:18
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: এক বছর আট মাসের বেশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ইঞ্জেকশন প্রয়োগে মৃত্যু হয়েছে রোগীর। এমনই অভিযোগে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের হল মেদিনীপুরের স্পন্দন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পশ্চিম মেদিনীপুর ক্রেতা সুরক্ষা কমিশন এই মামলা গ্রহণ করেছে। প্রথম শুনানি হবে ২১ জুলাই।
ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালে। মৃত প্রবোধচন্দ্র দে'র ছেলে সৌমেন্দু দে জানিয়েছেন, বুকে কফ জমে যাওয়ায় স্পন্দন হাসপাতালে বাবাকে ভর্তি করেছিলেন। সেই সময় তিন দিন ধরে মেয়াদ উত্তীর্ণ ফোরাকট ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। যার অডিও ভিডিও প্রমাণ সরকারি এজেন্সির কাছে জমা দেওয়া আছে। এই ঘটনায় রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন স্পন্দন হাসপাতালকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং আর্থিক জরিমানা করে। সৌমেন্দু দে অভিযোগ করেন, স্পন্দন হাসপাতাল তাঁর বাবার চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র লোপাট করে দেওয়ায় তাঁরা স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হন। রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন রোগীর মৃত্যু সহ অন্যান্য গাফিলতির বিষয়টি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে বলেন।
সেই মতো মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানা তদন্ত করে স্পন্দন হাসপাতালের পাঁচজন ডিরেক্টর এর বিরুদ্ধেএফআইআর করে। মেডিকেল কাউন্সিল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল রোগীকে চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার এবং মৃত্যুর শংসাপত্র প্রদানকারী ডাক্তার ভুয়ো বলে জানায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের সিএমওএইচ অভিযোগকারী সৌমেন্দু দে' র উপস্থিতিতে শুনানির ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করছেন।
সৌমেন্দু জানান, পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সবাই তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন অভিযুক্ত নার্সিংহোমের উপযুক্ত শাস্তি হবে। এবার ক্ষতিপূরণের দাবিতে ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি।