
গ্রামের মহিলাদের মারে মৃত পটাশপুর ধর্ষণে অভিযুক্ত
শেষ আপডেট: 6 October 2024 15:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: বধূকে ধর্ষণের পরে কীটনাশক খাইয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এবার সেই প্রতিবেশীকেই নিশানা করল গ্রামের মহিলারা। নিজেরাই হাতে তুলে নিলেন আইন। পিটিয়ে খুন করলেন অভিযুক্তকে। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের ঘটনা নিয়ে এবার তদন্ত শুরু করল পুলিশ। একই সঙ্গে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগও তদন্ত করছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গণপিটুনি খবর পেয়ে রবিবার গ্রামে পৌঁছেছিল বাহিনী। বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে। এগরা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম সুখচাঁদ মাইতি। পটাশপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ এদিন জনরোষ আঁছড়ে পড়েছিল। গ্রামের মহিলারা সুখচাঁদকে বাড়ির বাইরে টেনে বের করে। ব্যাপক মারধর করে। তারপরে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল।
পুলিশের দাবি, এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে মারধর করা হয়েছে অভিযুক্তকে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিক্ষুব্ধ জনতার মার থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে। এরপরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো যায়নি। মৃতের দেহ কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো। সেখানে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবেশি মহিলাকে ধর্ষণ করে বিষ খাইয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে সুখচাঁদের বিরুদ্ধে।শুক্রবার এই ঘটনা ঘটায় সুঁখচাঁদ। সে দিনই ওই মহিলাকে তমলুকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। রবিবার মৃত্যু হয় মহিলার। সেই খবর গ্রামের পৌঁছতেই খেপে ওঠেন গ্রামের মহিলারা। অভিযোগ তখনই সুখচাঁদকে বাড়িতে থেকে টেনে বের করে মারধর শুরু করে।
পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। ইতিমধ্যে মহিলার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। গণপিটুনিতে মৃত ব্যক্তির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ’’