
শেষ আপডেট: 29 May 2023 09:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাম যদি হয় মেসি ও রোনাল্ডো, তাহলে সংখ্যায় কী আসে যায় (Messi Ronaldo)? বয়স তো কেবলই সংখ্যামাত্র। প্রায়ই আলোচনায় বলেন অনেকে। কিন্তু ক্রীড়াদুনিয়ায় সংখ্যাতত্ত্ব ব্যাপারটা কেমন না থেকেও প্রবলভাবে থাকে। বিশেষ করে ফুটবলে। সদ্য শেষ হল ইউরোপের বিভিন্ন দেশের লিগের মরসুম (top european leagues)। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল আর কিছুদিন পরেই। কেমন কাটল বিভিন্ন লিগ? কে কেমন রেকর্ড গড়লেন? এরকম বেশ কিছু সংখ্যা সামনে নিয়ে এল ইএসপিএন।
ইপিএল
১. ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এবারের সোনার বুট প্রত্যাশামতই জিতলেন আর্লিং হালান্ড। করেছেন ৩৬টা গোল। ৩০ গোল করে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ব্রিটিশ তারকা হ্যারি কেন।
২. লেস্টার সিটি অবনমনে চলে গেল। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে লেস্টার দ্বিতীয় ক্লাব, যারা লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আবার পরে অবনমনে গিয়েছে। আগে এরকম হয়েছিল ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের। প্রসঙ্গত, সবাইকে চমকে ২০১৫-১৬ মরসুমের প্রিমিয়ার লিগ জিতেছিল লেস্টার।
৩. ২০১৪ সালের পর এই প্রথমবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে পেনাল্টি বাঁচালেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড গোলকিপার দাভিদ দি হিয়া।
৪. ১৯৮৭ সালের মরসুমের পর চেলসি তাদের সর্বনিম্ন পয়েন্ট নিয়ে শেষ করল এবার। পেয়েছে ৪৪ পয়েন্ট।
লা লিগা
৫. টোনি ক্রুজ সেভিয়ার বিরুদ্ধে এবারের লা লিগায় সবচেয়ে বেশি পাস দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ১৩৩ টি পাস বাড়িয়েছেন তিনি এবং তার ১২৪টাই সফল। কমপ্লিটের হার ৯৬%।
৬. আনসু ফাতি একুশ শতকে বার্সেলোনার ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম গোলটি করেন। মাত্র ৪৯ সেকেন্ডে গোল করেন তিনি। তার কমে রেকর্ড আছে ২০০৯ সালে, ৪৩ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন আন্দ্রে ইনিয়েস্তা।
৭. লা লিগার ইতিহাসে গোল না খাওয়ার নজির গড়লেন বার্সেলোনার গোলকিপার মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন। একটানা ২৬ ম্যাচে গোল না খেয়ে প্রহরায় থাকলেন তিনি। ১৯৯৪ সালের মরসুমে এই রেকর্ড ছিল ফ্রান্সিসকো দেপোর্তিভো লা কারুনার।
বুন্দেশলিগা
৮. টানা এগারোবারের জন্য বুন্দেশলিগা জিতল বায়ার্ন মিউনিখ। মোট ৩৩বার এই শিরোপা তাদের ঝুলিতে ঢুকল। ইউরোপীয় লিগের ইতিহাসে যা একটা রেকর্ড। টমাস মুলার ও ম্যানুয়েল নয়ার হল একমাত্র দুই খেলোয়াড়, যারা ১১ টি মরসুমেই বায়ার্নের প্রথম দলে ছিলেন।
৯. বুন্দেশলিগার ইতিহাসে টমাস টুহেল হলেন দ্বিতীয় ম্যানেজার, যিনি লিগের মাঝপথে দায়িত্ব নিয়েও লিগ জিতিয়ে শেষ করলেন। এরকম শেষবার এবং একমাত্র হয়েছিল ১৯৯৩-৯৪ মরসুমে। যখন এরিক রিবেকের থেকে দায়িত্ব নিয়ে লিগ জিতিয়েছিলেন জার্মান কিংবদন্তী ‘কাইজার’ ফ্রাঞ্জ বেকেনবাউয়ার।
১০. মার্কো রয়েস এই নিয়ে সাতবারের জন্য বুন্দেশলিগার রানার্স আপ দলে শেষ করলেন। একবারও লিগ জেতা হয়নি তাঁর।
১১. বুন্দেশলিগা থেকে এবার ‘ইউনিয়ন বার্লিন’ দল উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার যোগ্যতা পেল। এখনও অবধি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বেশি খেলেছে জার্মান ক্লাবই। মোট ১৫ টি জার্মান ক্লাব এতে খেলেছে। দ্বিতীয় স্থানে আছে স্পেন। ১৩টি ক্লাব।
সেরি আ
১২. লাউতারো মার্টিনেজ শেষ দুই মরসুমে ২০টির বেশি গোল করেছেন। ইউরোপের যে কোনও লিগে পর পর দুই সিজনে ২০-র বেশি গোল করার রেকর্ড আছে মাত্র তিনজনের। আর্লিং হালান্ড, রবার্ট লেওয়ানডস্কি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।
লিগ ওয়ান
১৩. লিগ ওয়ানের ইতিহাসে সাঁ এতিয়েঁকে টপকে সর্বকালের সেরা দলের শিরোপা দখল করল প্যারিস সাঁ জাঁ। এবারে ১১তম লিগ ওয়ান খেতাব জিতল তারা। ১৯৫৭ থেকে ১৯৮১ সালের মধ্যে মোট ১০ বার লিগ ওয়ান জিতেছিল সাঁ এতিয়েঁ। বর্তমানে লিগ টু-তে নেমে গিয়েছে তারা।
১৪. ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ইউরোপে ৪৯৫টি গোল করার রেকর্ডকে টপকে গেলেন লিওনেল মেসি। পিএসজিকে লিগ জিতিয়ে মেসি করলেন ৪৯৬তম গোল। যা সর্বকালীন রেকর্ড।
১৫. ২০১১ সালে কাতারের আমিরের নেতৃত্বে এক বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ আসার আগে পিএসজি খুব একটা ভাল জায়গায় ছিল না। তার আগে মাত্র দুইবার লিগ ওয়ান জিতেছিল পিএসজি। প্রথমবার ১৯৮৫-৮৬ সালে। তারপর ১৯৯৩-৯৪ সালে। তারপরে প্রথম খেতাব ২০১২-১৩ মরসুমে। কাতারি ধনকুবেরদের আশীর্বাদধন্য পিএসজি তারপর এগারো বছরে নয় বার জিতেছে লিগ ওয়ান। বাকি দুইবার জিতেছে মোনাকো ও লিলে।
আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন শৌচাগারে ভর্তি জীবাণু, ঘন ঘন পেটের রোগ হত এই শহরের বাসিন্দাদের