
শেষ আপডেট: 3 August 2023 10:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের ৫০টি বড় শিল্প সংস্থা ব্যাংক-সহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ টাকা ঋণ হিসাবে নিয়ে সময়মতো শোধ করেনি (Mehul Chaskis company at the top with the 50 other faruad companies )। এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ভগবৎ করদ লিখিতভাবে এই তথ্য জানিয়েছেন। এই ৫০ সংস্থার মধ্যে শীর্ষ আছে পলাতক শিল্পপতি মেহুল চোকসির (Mehul Choksi) একাধিক কোম্পানি। তাঁর গীতাঞ্জলি জেমস লিমিটেড-সহ চারটি কোম্পানির নাম তালিকায় আছে। এরমধ্যে গীতাঞ্জলি জেমস লিমিটেডের অনাদায়ী ঋণের অঙ্ক হল আট হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। এছাড়া এরা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, রেই অ্যাগ্রো লিমিটেড এবং এবিজি শিপইয়ার্ডের বকেয়া ঋণের পরিমাণ যথাক্রমে পাঁচ হাজার ৭৫০ কোটি, পাঁচ হাজার ১৪৭ কোটি এবং চার হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা।
তিনি আরও জানান, গত আর্থিক বছরে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ছিল ৬৬ হাজার কোটি টাকা। চলতি আর্থিক বছরে তা বেড়ে ৮৭ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, বকেয়া ঋণ আদায়ে ব্যাংকগুলি যে বোঝাপড়াই করুক না কেন তাতে পরিচালন সমিতির অনুমোদন লাগবে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা ম্যানেজিং ডিরেক্টর এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, সংসদের চলতি অধিবেশনের অচলাবস্থার মধ্যেই প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্যাংক ঋণ নিয়ে তিনটি প্রশ্ন আলোচিত হল। গত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এক প্রশ্নের জবাবে জানান, সরকার বকেয়া ঋণ আদায়ে ব্যাংকগুলিকে সতর্ক করেছে। ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু ব্যক্তিগত ঋণ-সহ সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের বকেয়া ঋণ আদায়ে যেন জোরজবরদস্তি না করা হয়। আইনের পথে যেটুকু সম্ভব সেটাই করতে হবে। সাধারণ ঋণগ্রহীতাকে বকেয়া ফেরাতে শারীরিক বা মানসিক নিগ্রহ করা যাবে না।
আরও পড়ুন: মণিপুর: সংসদে সমঝোতার উদ্যোগ, কোন শর্তে সন্ধির প্রস্তাব