দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজপরিবারে বিয়ে হয়ে মেয়ে তাঁকে পরিত্যাগ করেছে। কোনও যোগাযোগই রাখে না। কেন মেয়ে এ রকম আচরণ করছে তা তিনি জানেন না। জনপ্রিয় টেলিভিশন শো গুড মর্নিং ব্রিটেন -এ অংশ নিয়ে খোলাখুলি এ কথা বলেছেন ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেলের বাবা টমাস মার্কেল।
টেলিভিশন শো-এ ৭৪ বছরের টমাস প্রকাশ্যে বলেন মেগান আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তুমি আমার মেয়ে, আমি চাই তুমি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করো। যে সব বিষয় নিয়ে আমাদের দুজনের মধ্যে মতের অমিল আছে, সেগুলো আমরা দুজনে কথা বলে মিটিয়ে ফেলতে পারব।
টমাস জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি মেয়েকে টেক্সট করছেন। কিন্তু মেগান কোনও জবাব দেননি।তিনি চিঠিও পাঠিয়েছেন মেগানকে। টমাসের বক্তব্য, মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে যে সব খবর বেরিয়েছে, সে সব পড়ে মেগান ও হ্যারি বিরক্ত হয়ে থাকতে পারেন। হয়তো সেই কারণেই বাবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না মেগান। জামাই হলেও প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে কোনওদিনই দেখা হয়নি টমাসের। মেয়ে সন্তানসম্ভবা হওয়ার পরে টমাসের আশা, নাতি বা নাতনি হলে তাঁর সঙ্গে নিশ্চয়ই দেখা হবে।
https://twitter.com/GMB/status/1074372485448155136
প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে মেগানে প্রেম ও বিয়ের সিদ্ধান্তের পর থেকেই টমাস নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন। একবার এ-ও বলেছেন যে রাজপরিবারে বিয়ে হলেও তাঁর মেয়ে সুখী নন। তিনি হাসতে ভুলে গেছেন। কৃত্রিম আচরণ করে নিজেকে রাজপরিবারের মর্যাদার সঙ্গে কোনওরকমে খাপ খাইয়ে রেখেছেন মেগান। এই সবের কোনও প্রতিক্রিয়া রাজপরিবার ব মেগানের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। মে মাসে হ্যারি ও মেগানের বিয়েতেও যেতে পারেননি টমাস। সেই সময় তাঁর হার্টের অপারেশন হয়েছিল। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন মেগানের মা।
মেগানকে নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নানারকম মুখরোচক খবর বেরোনোর শেষ নেই। কদিন আগে মেগানের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজ ছেড়ে দেন। তাই নিয়ে প্রচুর জলঘোলা হয়েছে মিডিয়ার একাংশে। অনেকের দাবি, মেগান খুব মেজাজি, তাই তাঁর কাছে অপমানিত হয়ে কাজ করতে পারেননি ওই মহিলা। ফলে কাজই ছেড়ে দিয়েছেন।