
শেষ আপডেট: 29 July 2020 18:30
কম্যান্ডার হরকিরাত সিং মিগ-২১ এয়ারক্রাফ্টের পাইলট। সাহস ও দক্ষতার জন্য ২০০৯ সালে শৌর্য্য চক্র অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। তাঁর বীরত্বের গল্প এখনও বায়ুসেনা অফিসারদের মুখে মুখে ফেরে। শোনা যায়, ২০০৮ সালে এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার হাত থেকে তিনি নিজের মিগ-২১ বাইসন জেটকে বাঁচিয়েছিলেন সেই সঙ্গে বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছিলেন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন হরকিরাত তখন স্কোয়াড্রন লিডার। ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে মিগ-২১ বাইসন জেটের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকাই মিগের যন্ত্রপাতি বিকল হতে শুরু করে, ইঞ্জিনের তাপ বেড়ে যায়, আগুনের ফুলকি বের হতে থাকে। সেই অবস্থায় তিনি মিগ উড়িয়ে বহুদূরে গিয়ে তাকে এমনভাবে ল্যান্ড করান যে কোনও দুর্ঘটনাই হয়নি। এরপরেও বিভিন্ন সময় তিনি তাঁর দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। হরকিরাতের বাবাও সেনায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল ছিলেন। তাঁর স্ত্রী বায়ুসেনার অফিসার।
১৯৯৯ সাল থেকে বায়ুসেনায় রয়েছেন। জন্ম জয়পুরে ১৯৮৪ সালে। বাবা ব্যাঙ্কের কর্মী, মা সরকারি দফতরে রয়েছেন। স্কুল জীবন থেকেই ডাকাবুকো স্বভাবের অভিষেক খেলাধূলাতেও তুখোড়। রাজ্যস্তরে ভারোত্তলনে তাঁর সুনাম আছে। নানা রকম ফাইটার জেটের প্রশিক্ষণ রয়েছে অভিষেকের। অনেক উঁচু দিয়ে যুদ্ধবিমান ওড়ানো, দীর্ঘসময় উড়ানের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।
সেই স্কুলেই পড়াশোনা শুরু রোহিতের। ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিরও কৃতী ছাত্র রোহিত। দীর্ঘ সময় আকাশে ফাইটার জেট ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। রাফাল উড়িয়ে আনার জন্য বেছে নেওয়া বায়ুসেনার পাইলটদের মধ্যেও তিনিও ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন।
বিজাপুরের সৈনিক স্কুলে পড়াশোনা অরুণ কুমারের। জন্ম বিহারে। বিজয়াপুরা বা বিজাপুরের ডিফেন্স স্কুল থেকে পাস করে ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন। তাঁর বাবাও সেনায় ছিলেন। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। বিজাপুর সৈনিক স্কুলের প্রিন্সিপাল ক্যাপ্টেন বিনয় তিওয়ারি বলেছেন, মেধাবী ছাত্র ছিল অরুণ। ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতেও তিনি কৃতী ছাত্র। নানা রকম ফাইটার জেট ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। উইং কম্যান্ডার হিসেবে বহুবার সাহস আর দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন অরুণ।