
শেষ আপডেট: 3 January 2024 16:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: পুরপ্রধান সৌমেন খানের বিরুদ্ধে বিমাতৃসুলভ আচরণ করার অভিযোগ এনে ধর্নায় বসেছিলেন ১৩ জন কাউন্সিলর। পরে দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে অবস্থান বিক্ষোভ উঠিয়ে নেন। কিন্তু সমস্যা একই জায়গায় থেকে গেছে। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতে এবার সমাধান সূত্র খুঁজতে মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হলেন মেদিনীপুর পুরসভার ১০ জন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কাউন্সিল। কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁদের সঙ্গে দেখাই হল না এসডিপিওর।
বুধবার মেদিনীপুর পুরসভার ১০ কাউন্সিলার মহকুমাশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। দফতরের ঢোকার সময় বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলার বিশ্বনাথ পাণ্ডব জানিয়েছেন, যেহেতু মহকুমা শাসক পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছেন, তাই তাঁর সঙ্গে পুরসভা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন তাঁরা। কিন্তু পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনবেন কিনা, সেবিষয়ে খোলসা করে কিছুই জানাতে চাননি বিশ্বনাথবাবু।
তিনি বলেন, ''অনাস্থা আনতে গেলে এসডিপিও-র সঙ্গে কেন আলোচনা করতে আসব। যদি এমনই হত তাহলে প্রস্তাব নিয়ে এসে জমা দিতাম।'' বিশ্বনাথবাবু জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য শীর্ষ নেতা সুব্রত বক্সী তাঁদের ডেকেছিলেন। কিন্তু ওয়ার্ডের এক তৃণমূল কর্মী দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় তিনি হাসপাতালে ছোটাছুটি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। সে কথা সুব্রতবাবুকে জানিয়েছিলেন তিনি। তাই ওই দিন বৈঠক আর হয়ে ওঠেনি।
এদিকে দুপক্ষের মধ্যে মীমাংসা না হওয়ায় মেদিনীপুর পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়। পুরসভার ২৫টি সিটের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ২০টি আসন। প্রথমে ১৩ জন তৃণমূল কাউন্সিলর চেয়ারম্যানের অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভে বসেছিলেন। কিন্তু এদিন এসডিপিওর সঙ্গে দেখা করতে ১০ জন কাউন্সিলর গেছিলেন। বাকি তিন কাউন্সিলরের খোঁজ মেলেনি। বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলরদের অভিযোগ, চেয়ারম্যান তাঁদের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আরচণ করেন। স্বৈরাচারী শাসন চালাচ্ছেন।