
শেষ আপডেট: 2 February 2024 12:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দেখিয়ে ডাক্তারিতে ভর্তি হয়েছিলেন। মেডিকেল কাউন্সিলের নজরে আসতেই ওই ছাত্রীকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করল মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ, ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দেখিয়ে ডাক্তারিতে ভর্তি হন ওই ছাত্রী। বিষয়টি মেডিক্যাল কাউন্সিলের নজরে আসতেই তাঁকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। প্রথমবর্ষের ওই ছাত্রীকে ইতিমধ্যেই কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল মৌসুমী নন্দী। পাশাপাশি শাস্তিস্বরূপ তাকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে ছাত্রীর বাবা দাবি করেন, সমস্যা একটা হয়েছিল। তা মিটে গিয়েছে।
ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দেখিয়ে কিছু ছাত্রছাত্রী সংরক্ষিত কোটায় সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে আগেই অভিযোগ উঠেছিল। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কোর্টে মামলা দায়ের হয়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এজলাসেই সেই মামলা চলেছিল। যে ২৭ জনের বিরুদ্ধে ভুয়ো সার্টিফিকেট দেখিয়ে মেডিক্যালে ভর্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের মধ্যেই ছিলেন এই ছাত্রী।
মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল বলেন, “২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন এই ছাত্রী। কোর্টের নির্দেশে ও পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল কাউন্সিলের নির্দেশে তদন্ত হয় এবং তাতে জালিয়াতি ধরা পড়ে। আর তারপরেই কোর্টের নির্দেশেই ওই ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি এক লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। যা আগামী ১৪ দিনের মধ্যে ওই ছাত্রীকে মিটিয়ে দিতে হবে।” যদিও ওই ছাত্রীর বাবা বিশ্বজিৎ মণ্ডল ফোনে জানান, সমস্যা হয়েছিল মিটে গেছে। তাঁর মেয়ে ফের ভর্তি হতে পারবে। ঠিকানার গোলমালের কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।