
শেষ আপডেট: 8 March 2019 06:06
Justice F.M.I. Kalifulla[/caption]
ফৈজাবাদে এই মামলার বিভিন পক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন এই তিন জন মধ্যস্থতাকারীই। তাঁদের মধ্যে আছেন শ্রী শ্রী রবিশঙ্করও। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতি বেঞ্চ জানিয়েছে, এই তিন জনকে এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
আদালত জানিয়েছে, মধ্যস্থতা চলাকালীন কমিটির কাজ গোপন থাকবে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলতে পারবেন না কমিটির সদস্যেরা। সংবাদমাধ্যমকেও এই সংক্রান্ত খবর প্রচার করতে নিষেধ করা হবে।
[caption id="attachment_85313" align="aligncenter" width="615"]
Sri Sri Ravishankar[/caption]
তবে আদালত মধ্যস্থতার কথা বললেও, বেশির ভাগ পক্ষই এই প্রস্তাবের বিরধিতা করে। শুনানি চলাকালীন ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এটা সম্পত্তির বিষয় নয় মস্তিস্ক এবং হৃদয়ের বিষয়। তাই সব পক্ষকে সমান গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
অন্য এক বিচারপতি এসএ বোবদে এ বিষয়ে বলেন, "আমাদের ইতিহাস শোনার দরকার নেই। আমরা ইতিহাস জানি। আমরা রামের জন্ম জানি, বাবরের কীর্তিও জানি। এ নিয়ে বহু পর্যালোচনা হয়েছে। কিন্তু এখন এখানে কী হবে, সেটা এখনই ঠিক করতে হবে। চাইলেও ইতিহাসে ফিরে যাওয়া যাবে না।"
Sriram Panchu[/caption]
কয়েকটি ধর্মীয় সংগঠন চায় রাম মন্দির নির্মাণ করতে অর্ডিন্যান্স নিয়ে আসুক সরকার। বিজেপি এবং তাদের সহযোগী দলেরও অনেকেই সেটা চায়। কিন্তু সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে রকম কিছু করা যাবে না। গত বছরেই এই মামলার শুনানি দ্রুত করার আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেটি খারিজ করে দিয়েছিল আদালত। এই অবস্থায় অনেকেই দ্রুত শুনানি চাইছেন।
কারণ সেটা হলে বিজেপির জন্যও ভাল হবে বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল। দীর্ঘ দিন বাদে বছর দুয়েক আগে উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। মন্দির নির্মাণ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় অযোধ্যায় বিরাট রাম মূর্তি তৈরি হবে বলে ইতিমধ্যে ঘোষণাও করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এখন দ্রুত শিনানি করে জটিলতার নিষ্পত্তি ঘটানোর কথাই বলছেন সকলে।