Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

হ্যাকিং বিতর্ক, বিরোধীরা একবাক্যে বলছেন, ২০১৯-এর ভোট হোক ব্যালটে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবারই লন্ডনে সাংবাদিক বৈঠক করে সাইবার বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজা দাবি করেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ইভিএম হ্যাকড হয়েছিল। সেজন্যই বিজেপির নরেন্দ্র মোদী জিতেছেন। তারপরেই ভারতে ইভিএমের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। বিএসপি প্রধান মায়

হ্যাকিং বিতর্ক, বিরোধীরা একবাক্যে বলছেন, ২০১৯-এর ভোট হোক ব্যালটে

শেষ আপডেট: 22 January 2019 11:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবারই লন্ডনে সাংবাদিক বৈঠক করে সাইবার বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজা দাবি করেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ইভিএম হ্যাকড হয়েছিল। সেজন্যই বিজেপির নরেন্দ্র মোদী জিতেছেন। তারপরেই ভারতে ইভিএমের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। বিএসপি প্রধান মায়াবতী মঙ্গলবার দাবি করেছেন, আগামী লোকসভা নির্বাচন হোক ব্যালটে। মঙ্গলবারই সৈয়দ সুজার দাবি উড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, ইভিএম হ্যাক করা সম্ভব নয়। কিন্তু মায়াবতী বলেছেন, ন’য়ের দশকে ইলেকট্রনিক ভোটযন্ত্র চালু হওয়ার আগে যেভাবে ব্যালটে ভোট হত, আগামী দিনেও সেভাবে ভোট হোক। বৃহত্তর স্বার্থেই ইভিএম বিতর্কের মীমাংসা করা উচিত। ব্যালট পেপারে দেখা যায়, কোথায় ভোট পড়ল। কিন্তু ইভিএমে দেখা যায় না। একই দাবি তুলেছেন আরও কয়েকজন বিরোধী নেতা। উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীর জোটসঙ্গী তথা সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব বলেছেন, কেউ যদি ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন করে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত। আমাদের ভেবে দেখতে হবে, কেন জাপান প্রযুক্তিতে এত উন্নতি করা সত্ত্বেও ইভিএম ব্যবহার করে না। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের প্রশ্ন নয়। গণতন্ত্রের ওপরে আস্থার প্রশ্ন। নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে এসম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অপর বিরোধী নেতা তথা অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সরাসরি বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষে এক বিরাট বিপদ হল ইভিএম। ভোটযন্ত্র বিকৃত করা হয়েছিল বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সত্যিই বিপজ্জনক। নির্বাচন কমিশনের উচিত এসম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া। ব্যালট সিস্টেমে ফিরে যাওয়া উচিত। অন্যদিকে সরকার ইভিএমে কারচুপির কথা উড়িয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ এই বিতর্কের জন্য দায়ী করেন কংগ্রেসকে। তাঁর প্রশ্ন, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কপিল সিবাল এখন লন্ডনে কী করছেন? রবিশংকর প্রসাদ বলেন, আমার ধারণা, তিনিই লন্ডনে গিয়ে পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছেন। ২০১৪ সালের জনাদেশকে অসম্মান করার জন্য কংগ্রেস ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কংগ্রেস লন্ডনের ওই সাংবাদিক বৈঠকে যুক্ত থাকার অভিযোগ মানতে চায়নি। দলের মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভি বলেন, কপিল সিবাল এক সাংবাদিকের আমন্ত্রণে লন্ডনে গিয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকের সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা খুবই সিরিয়াস। এসম্পর্কে তদন্ত হওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনের উচিত, খোলা মন নিয়ে ব্যাপারটাকে দেখা।

```