Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

কৃষক আন্দোলন নিয়ে সাত ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের চিঠি বিদেশ সচিবকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ২৩ ডিসেম্বর মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পিওকে চিঠি দিয়েছেন সাত প্রভাবশালী কংগ্রেস সদস্য। তাঁদের মধ্যে আছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেস উওম্যান পামেলা জয়পাল। চিঠিতে পম্পিওর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, অবিলম্বে ভারতের কৃ

কৃষক আন্দোলন নিয়ে সাত ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের চিঠি বিদেশ সচিবকে

শেষ আপডেট: 25 December 2020 06:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ২৩ ডিসেম্বর মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পিওকে চিঠি দিয়েছেন সাত প্রভাবশালী কংগ্রেস সদস্য। তাঁদের মধ্যে আছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেস উওম্যান পামেলা জয়পাল। চিঠিতে পম্পিওর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, অবিলম্বে ভারতের কৃষক আন্দোলন নিয়ে সেদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন। মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের মতে, ভারতের কৃষি আইন নিয়ে শিখ আমেরিকানরা উদ্বিগ্ন। ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে আসা মার্কিন নাগরিকরাও ওই আইনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। চিঠিতে লেখা হয়েছে, "বহু ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান কৃষি আইনে প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে চলেছেন। কারণ পাঞ্জাবে তাঁদের পরিবারের জমি আছে। তাঁদের পরিবারের অনেকে পাঞ্জাবে বসবাস করেন।" সাত কংগ্রেস সদস্যের মতে, কৃষি আইন নিয়ে ভারতে গুরুতর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পম্পিওকে তাঁরা অনুরোধ করেছেন, "আপনি ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন। তাঁকে জানিয়ে দিন, আমেরিকা সব সময় বাকস্বাধীনতার পক্ষে অবস্থা নেয়।" মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা লিখেছেন, আমেরিকায় প্রায়ই নানা আন্দোলন হয়। সামাজিক আন্দোলনের সময় কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হয়, তা নিয়ে আমেরিকার সরকার ভারতকে পরামর্শ দিতে পারে। এর পরে লেখা হয়েছে, "ভারত সরকার তার জাতীয় নীতি স্থির করতে পারে। আমরা সেই অধিকারকে সম্মান করি। একইসঙ্গে ভারতের অভ্যন্তরে ও বাইরে যাঁরা কৃষি আইনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তাঁদের অধিকারকেও আমরা সম্মান করি।" দিল্লি ও তাঁর আশপাশে কৃষক আন্দোলন ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে। মঙ্গলবার কৃষক বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরকেও। আম্বালা যাওয়ার পথে কালো পতাকা দেখানো হয় তাঁকে। বিক্ষোভের জেরে ফিরে আসতে হয় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়কে। বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন নিয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কড়া সমালোচনা করেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, দেশে এখন গণতন্ত্র নেই। কেউ প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতা করলেই তাঁকে বলা হচ্ছে সন্ত্রাসবাদী। এমনকি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত যদি মোদীর সমালোচনা করেন, তাঁকেও সন্ত্রাসবাদী বলা হবে। পরে রাহুল বলেন, "প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যাতে তাঁর অনুগত শিল্পপতিরা মুনাফা করতে পারে। কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কথা বললে তাঁকে বলা হচ্ছে সন্ত্রাসবাদী। কৃষক, শ্রমিক এমনকি মোহন ভাগবতও যদি সরকারের সমালোচনা করেন, তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলা হবে।" এর পরে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি বলেন, "ভারতে গণতন্ত্র নেই। আপনি যদি ভাবেন গণতন্ত্র আছে, তা শুধু আছে আপনার কল্পনায়।"

```